আলোচনা চলছিল ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে। সেই তর্ক পৌঁছে গেল বিজেপির সভাপতি নির্বাচনে। বিতর্কে অংশ নিয়ে বিরোধীদের পক্ষে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যা♕দব খোঁচা দিলেন বিজেপিকে। অখিলেশের কথায় বিরোধী বেঞ্😼চের সকলে একযোগে হাসিতে ফেটে পড়েন। এমনকী হাসি চাপতে পারেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেও। যদিও সঙ্গে-সঙ্গে শাহ উঠে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে জবাব দেন। পালটা খোঁচা দেন।
আরও পড়ুন-🔯Gazꦺa: গাজায় হামলার তেজ বাড়াবে! হামাসকে বৃহৎ এলাকা দখলের হুঁশিয়ারি ইজরায়েলের
বুধবার সংসদের লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল পেশ করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরণ রিজিজু। এই আইনের সপক্ষে তিনি বলেন যে এই বিলে মুসলিমদের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া হবে🍒 না। এই আইন ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণের জন্য। ওয়াকফ বোর্ডকে ধর্মনিরপেক্ষ করার প্রচেষ্টা এই বিল।বিরোধীরা এই বিলের তীব্🐼র বিরোধিতা করে।
সমাজবাদী পার্♍টির প্রধান তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিল𝕴েশ যাদব বিজেপি সরকারকে নিশানা করে বলেন, 'আমি বুঝতে পারছি যে এই বিষয়টা উত্থাপন করতে চাইনি। কিন্তু আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, যে বিলটি আনা হচ্ছে অর্থাৎ এই বিলটি নিয়ে বিজেপির অন্দরে প্রতিযোগিতা চলছে। কে বড় খারাপ হিন্দু, তা নিয়েই দলের অন্দরে প্রতিযোগিতা চলছে।'
তিনি আরও বলেন, 'বিজেপি দাবি করে যে, তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় দল। কিন্তু তারা এখনও নিজেদের জাতীয় সভাপতি নির্বাচন করে উঠতে পারেনি। বিজেপি আসলে কী?' অখিলেশের এই কথার সঙ্গে সঙ্গে হাসিতে ফেটে পড়েন বিরোধী দলের সাংসদরা। এমনকী, শাসক দলের কিছু কিছু সদস্যও হেসে উঠেছিলেন। উচ্চস্বরে অবশ্য হেসে উঠেছিলেন স্বয়ং অমিত শাহও। ꧋এরপর তিনি উত্তর দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ান।
আরও পড়ুন-Gaza: গাজায় হামলার তেজ𒐪 বাড়াব꧑ে! হামাসকে বৃহৎ এলাকা দখলের হুঁশিয়ারি ইজরায়েলের
পা🔥ল্টা জবাবে অমিত শাহ বলেন, ‘অখ🔜িলেশজি হাসতে হাসতে এই কথাটা বললেন, তা সত্ত্বেও আমি হাসিমুখেই এর উত্তর দেব। এই যে সামনে তাঁর এবং অন্যান্য সব পার্টি বসে রয়েছে, তাঁদের মধ্যে থেকে পাঁচজনকে একসঙ্গে মিলে জাতীয় সভাপতি নির্বাচন করতে হবে। আর সভাপতিও আপনারাই থাকবেন।’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলে চলেন, ‘অখিলেশজি, আপনি তো আরও ২৫ বছরের জন্য সমাজবাদী পার্টির সভাপতি রয়ে যাবেন। কেউই আপনাকে বদলাতে পারবেন না। এই কথা শোনামাত্রই কক্ষে থাকে উভয় পক্ষের সাংসদই হাসিতে ফেটে পড়েন।
এ𒐪রপর অমিত শাহ স্পষ্ট করে দেন যে, 'আমাদের দলের জাতীয় সভাপতিকে আমাদের লক্ষ-লক্ষ লোকের দ্বারা নির্বাচিত করতে হবে। দেশের ১২-১৩ কোটি সদস্য এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভাগীদার থাকেন। তাই একটু দেরি হতেই পারে। আমি এখানে দাঁড়িয়ে এও বলতে পারি যে, যেমন আপনি আপনাদের দলের ২৫ বছর ধরে সভাপতি থাকবেন। আমাদের দলে তা হয় না। সেই কারণে এই প্রক্রিয়ায় একটু সময় লাগছে।'