ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের আর্জিতে সাড়া দিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম কোমাচ্ছন্ন ভারতীয় ছাত্রীর পরিবারকে ভিসা সাক্ষাৎকারের অনুমতি দিল আমেরিকা। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় বিদেশ ﷺমন্ত্রকের অনুরোধের পরে দ্রুত ভিসা ইন্টারভিউয়ের জন্য বাবা-মা'কে ডাকা হয়েছে। আদতে তাঁদের ২০২৬ সালের তারিখ পাচ্ছিলেন। এমনিতে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম হন ৩৫ ব෴ছরের এমএসসি নীলম শিন্ডে। তারপর থেকে কোমায় আছেন ওই ছাত্রী।
নীলম মহারাষ্ট্রের সাতারার বাসিন্দা। এই অবস্থাতেও মেয়ের কাছে য়াওয়ার জন্য মার্কিন ভিসা পাচ্ছেন না নীলমের পরিবার। ফলে মেয়ের কাছে পৌঁছাতে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নীলমের বাবা-মা। সাড়া দিয়েছে প্রশাসনও। দিল্লির তরফে মার্কিন প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এরপরই জা💞না গিয়েছে, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের আর্জিতে অনুমোদন দিয়ে কোমাচ্ছন্ন ভারতীয় ছাত্রী নীলমের পরিবারকে ভিসা সাক্ষাৎকারের জন্য অনুমতি দিয়েছে আমেরিকা। জরুরি ভিসার জন্য শুক্রবার সকাল ৯টায় একটি সাক্ষাৎকারের আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বিদেশ মন্ত্রক আমেরিকার কাছে নীলম শিন্ডে🍌র জন্য আনুষ্ঠꩲানিকভাবে জরুরি ভিসা অনুমোদনের আর্জি জানায়। সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে মার্কিন অভিবাসন মন্ত্রকের তরফে ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় দেওয়া হয় ওই ছাত্রীর বাবাকে। ছাত্রীর বাবা-সহ পরিবারের তরফে সরকারের কাছে হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। তারপরেই সেই ডাকে সাড়া দেয় এস জয়শঙ্করের মন্ত্রক।
গত চার বছর ধরে আমেরিকায় থাকেন নীলম শিন্ডে। জানা গিয়েছে, ১৪🦄 ফেব্রুয়ারি দুর্ঘটনায় নীলমের শরীরের একাধিক হাড় ভেঙেছে। বুকে এবং মাথায়ও আঘাত লেগেছে।ওই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার ঘটনার দু'দিন পরে মহারাষ্ট্রের সাতারায় নীলমের বাড়িতে খবর পৌঁছায়। ওই ছাত্রীর বাবা জানিয়েছেন, ১৬ ফেব্রুয়ারি খবর পাওয়ার পর থেকেই তিনি এবং তাঁর স্ত্রী আমেরিকার ভিসার জন্য চেষ্টা করছেন।
এদিকে, হাসপাতাল থেকে নীলমের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁর বাবা-মায়ের অনুমতি প্🍌রয়োজন। এই অবস্থায় মেয়ের কাছে পৌঁছাতে মরিয়া নীলমের বাবা। ফলে তাঁরা ভারত সরকারে দ্বারস্থ হন। পদক্ষেপ করে প্রশাসনও। আর তাতেই প্রাথমিক বাধা কাটতে চলেছে।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনার পর গাড়ি চালককে গ্রেফতার করে ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ। দুর্ঘটনার দুদিন পর শিন্ডের পরিবারকে খবরটি দিয়েছিলেন তাঁরই ঘরে থাকা এক বন্ধু। পরিবার সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের তরফে রোজ ফোন ও মেলে চিকিৎসার বিষয় জানানো হলেও তাঁ🍒র কাছে বাড়ির কারও থাকাটা জরুরি। হাসপাতালের পক্ষ থেকেও বাড়ির লোককে দ্রুত চলে আসার অনুরোধ জানানো হয়।