Angry Manolo Marquez on his Team: হামজা চৌধুরীকে ঘিরে অনেক আলোচনা ছিল, এবং তিনি দলে কী নতুনত্ব যোগ করতে পারেন তা নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে ছিল। তবে ১৮৫তম স্♏থানে থাকা বাংলা💧দেশ কি ভারতকে চমকে দিতে পারবে? নাকি সব আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হবে? এই প্রশ্নটা ভারতীয় ও বাংলাদেশের ফুটবল জগতে ঘুরছিল। এবং আইএসএলের তারকা-সমৃদ্ধ ভারতীয় দল হামজাকে কীভাবে সামলে জয় ছিনিয়ে নেয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় ছিল সকলে।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পরে বিশালদের উপর রেগে যান সুনীল ছেত্রীদের হেড স্যার মানোলো মার্কুয়েজ। এ দিনের ম্য়াচের পরে বিশাল কাইথের ভয়ঙ্কর ভুꦯল নিয়ে ভারতীয় দলের কোচ বলেন, ‘যখন তুমি খেলায় প্রবেশ করো এবং প্রথম পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই এমন একটি সুযোগ দিয়ে বসো…’ এরপরে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে মানোলো মার্কুয়েজ বলেন, ‘আসলে আমি বেশি কিছু বলতে চাই না।’
আরও পড়ুন … India vs Bangladesh: সুনীলের বিশাল মিস! বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের গোলশূন্য 🍬ড্র
ম্যাচের পরে সুনীলদের পারফরমেন্স নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মানোলো মার্কুয়েজ বলেন, ‘আমি ভীষণ রেগে আছি, সকলের খেলায় হতাশ। এই দুর্বল পারফরম্যান্সের জন্য আমার কাছে কোনও শব্দই নেই। বাম দিক থেকে লিস্টন কিছু ইতিবাচক মুহূর্ত তৈরি করেছিল, ไকিন্তু সেটাও যথেষ্ট ছিল না। এটা যথেষ্ট নয়। হয়তো এটাই ভারতীয় ফুটবলের বাস্তবতা।’
সত্যি বলতে, এদিনের ম্যাচে ভারত একেবারেই হতাশাজনক পারফꦰরমেন্স করেছিলেন। খারাপ না, একেবারে ভয়াবহ পারফরমেন্স করেছিলেন বিশাল-সুনীলরা। কোনও পরিকল্পনাই যেন ছিল না, কোনও আবেগ নেই, কোনও লড়াইয়ের মানসিকতা নেই।
আরও পড়ুন … IPL 2025: পন্ত তো ধোনিকে কপি করতে চেয়েছღিলেন! LSG-র হারের🌊 কারণ ব্যাখ্যা করলেন অম্বাতি রায়ডু
বাংলাদেশ ম্যাচের প্রথম মুহূর্তেই গ🔥োল করতে পারত, কারণ গোলকিপার বিশাল কাইথ একাধিক অদ্ভুত ভুল করে দেখালেন। কিন্তু শুধু তিনিই নন, পুরো দলকেই দেখাচ্ছিল যেন ঘুম থেকে উঠে এসেছে। অথচ এটি ২০২৭ এএফসি এশিয়ান কাপের কোয়ালিফ🎀ায়ার ছিল। কিন্তু খেলোয়াড়দের মধ্যে যে তীব্রতা দেখা উচিত ছিল, তা একেবারে অনুপস্থিত ছিল। এমন খেলায় মনে হচ্ছিল যেন এটি কোনও রবিবার বিকেলের পাড়া ফুটবল ম্যাচ!
স্বাভাবিকভাবেই, এই ম্যাচের পরে ভারতীয় দলের কোচ মানোলো মার্কুয়েজও প্রচণ্ড রেগে যান। সেটা তো হবেই। এ ধরনের বাজে পারফরম্যান্স তার সম্মান নষ্ট করবে। তাই তাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে💧—এটি কি এমন এক দল, যাদের সঙ্গে তিনি ভবিষ্যতে কাজ করতে চান? নাকি তার পক্ষে এখনই বলা উচিত, ‘বেশ হয়েছে, এবার আমি চললাম?’
সত্যি কথা হল, ‘ভিশন ২০৪৭’ একেবারেই লোক দেখানো। স্টেডিয়ামের চারপাশে এই ভিশনের হোর্ডিং ছিল ঠিকই, কিন্তু বাস্তবে এর কোনও পরিকল্পনা বা প্র꧙ক্রিয়া নেই। তাহলে এই ‘ভিশন ২০৪৭’ আসলে কী? আমরা কি শুধু এই আশাতেই বসে থাকব যে ভবিষ্যতে কোনও একসময় বিদেশি নাগরিকত্ব পাওয়া ভারতীয় (OCI) খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া হবে, আর তাতে দল ভালো করবে?
আইএসএল-এর কারণে বর্তমান ফুটব🅺লাররা বেশ ভালো টাকা উপার্জন করেন। তাতে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু টাকা আর খ্যাতির সঙ্গে দায়িত্বও আসে। যদি ভালো পারফরম্যান্স না থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই। তারা কি সত্যিই এত টাকা পাওয়ার যোগ্য? নাকি শুধু এই কারণে তারা এত সুযোগ পাচ্ছে যে আমাদের হাতে তেমন কোনও বিকল্প নেই?