नई दिल्ली :
জ্যোতিষ, ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক দিক থেকে সূর্যগ্রহণের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে চন্দ্রগ🅰্রহণ বা স𒉰ূর্যগ্রহণের কারণ হিসেবে রাহু-কেতুকে বলা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এই গ্রহণ কেতুর প্রভাবে হতে চলেছে। রাহু ও কেতুকে সাপের মতো ছায়াগ্রহ বলে মনে করা হয়, যাঁদের দংশনে গ্রহণ হয়। সাধারণত অমাবস্যায় সূর্যগ্রহণ হয়।
অন্যদিকে, অনেকের বিশ্বাস করেন যে, চন্দ্রকে গ্রাস করার চেষꩵ্টা করলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। এই বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। এবার পালা সূর্যগ্রহণের। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চলে আসে তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না। এই ঘটনা൩ই সূর্যগ্রহণ।
আরও পড়ুন: শুরু মতুয়া সম্প্রদায়ের বারুণী মেলা ও পুণ্যস্নান!
কিন্তু জানেন কি ২০২৫ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ কবে হবে?
২০২৫ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হবে ২৯ মার্চ অর্থাৎ শনিবার। তবে ভারতে এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। ভারতীয় সময় অনুসারে, ২৯ মার্চ দুপুর ২ টো বেজে ২১ মিনিট থেকে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে এবং সন্ধ্যা ৬ টা বেজে ১৪ মিনিটে গ্রহণ শেষ হবে। এটি একটি আ𒐪ংশিক সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে। সূর্যগ্রহণের ১২ ঘণ্টা আগে থেকে সূতক শুরু হয়। কিন্তু ২৯ মার্চের সূর্যগ্রহণ ভারতে দেখা না 𒆙যাওয়ায়, সূতক হবে না।
আরও পড়ুন: সূর্যগ্রহণের সময় কী কী করা যায়? কোন কাজ ভুলেও নয়? অমঙ্গল ঠেকাতে জ🍬ানুন
কোন কোন দেশে দেখা যাবে সূর্যগ্রহণ?
ভারতে দেখা না গেলেও ২৯ মার্চ আংশিক সূর্যগ্রহণ ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক🐭্ষিণ আমেরিকা এবং আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগর, বার্বাডোস, বেলজিয়াম, উত্তর ব্রাজিল, বারমুডা, ফিনল্যান্ড, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিনল্যান্ড, হল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, উত্তর রাশিয়া, স্পেন, মরক্কো, ইউক্রেন, উত্তর আমেরিকার পূর্বাঞ্চল, ইংল্যান্ড প্রভৃতি স্থান থেকে দেখা যাবে।
তবে গ্রহণ চলার সময়ে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। এতে গ্রহণের কোনও নেতিবাচক প্রভাব নিজের বা পরিবারের কোনও সদস্যের উপর পড়ে না। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, যেকোনও গ্রহণের সময় খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ এতে 🌜স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে। তাছাড়াও বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে।
(এই প্রতিবেদনের তথ্য মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )