ꦦ গতবছরই ভাঙড় এলাকা কলকাতা পুলিশের অধীনে এসেছিল। তারপর থেকে সেখানে আগের মতো বোমাবাজি, গুলি, খুন, হামলা আর ভাঙড়ে হয় না। অনেকটাই কমেছে। কিন্তু গত পঞ্চায়েত নির্বাচন রক্তাক্ত হয় ভাঙড়ে। সেই সব ঘটনা কলকাতা পুলিশ জানে এবং তখন তাদের অধীনে ছিল না ভাঙড়। ওই ঘটনার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ভাঙড় চলে আসে কলকাতা পুলিশের অধীনে। এবার ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন হবে গোটা বাংলায়। ভাঙড়ে যাতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য এলাকায় বিশেষ নজরদারি রাখা এবং ভাঙড়ে একটি গোয়েন্দা ইউনিট চালু করল লালবাজার।
♕এই গোয়েন্দা ইউনিটের কথা কদিন আগে ভাবা হলেও এবার দ্রুতগতিতে তা হয়ে গেল। ফলে এখন আরও কোনও কিছুই পুলিশের হাতের বাইরে থাকবে না। ভাঙড়কে একদম ঠাণ্ডা করে দিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আরাবুল ইসলাম–সহ তাঁর গোষ্ঠীকে ঠাণ্ডা করে দেওয়া হয়েছে। আইএসএফ এখানে আর হিংসা বা হামলার মতো ঘটনা ঘটাতে পারছে না। বিধানসভা নির্বাচনেও যাতে অন্যান্য এলাকার মতো ভাঙড়ও শান্তিপূর্ণ থাকে তার জন্য আগে থেকে এমন পদক্ষেপ করা হল। একজন অ্যাসিন্ট্যান্ট কমিনশনার পদমর্যাদার অধীনে একজন ইনস্পেক্টর, সাব ইনস্পেক্টর ও কয়েকজন কনস্টেবলকে নিয়ে এই ইউনিট কাজ করতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: ‘যে প্রথম লড়াই করে, তাকে মূল্য চোকাতে হয়…’, ইঙ্গিতবাহী পোস্ট অভিষেকের! জল্পনা
জানুয়ারি মাসেই এই নতুন গোয়েন্দা ইউনিটের নির্দেশিকা বেরিয়েছে। তার ভিত্তিতে এই ইউনিটে অফিসাররা কাজ করতে শুরু করে দিয়েছেন। তবে অফিসের একটা অভাব ছিল। এখনও নতুন অফিস চালু করা যায়নি। তবে তা দ্রুত হয়ে যাবে বলে লালবাজার সূত্রে খবর।𒐪 ২০২৪ সালের ৮ জানুয়ারি ভাঙড় কলকাতা পুলিশের অধীনে আসে। হেড কোয়ার্টার থেকে ভাঙড়ের দূরত্ব এবং এখানকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিচার বিবেচনা করেই একটি গোয়েন্দা ইউনিট খোলার সিদ্ধান্ত নেন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। এবার তা রমরমিয়ে চলবে।
এই গোয়েন্দা ইউনিটের মাথায় থাকছেন জয়সূর্য মুখোপাধ্যায় (এসিপি), সুষম মিত্র (ওসি)। আর চারজন অফিসার–সহ আটজন কনস্টেবল এই ইউনিটে কাজ করছেন। এঁদের কাজ ভাঙড়ের সব অপরাধীর তথ্য কাছে রাখা। এই এলাকায় এখন নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। যাতে গোপন খবর পুলিশের হাতে দ্রুত পৌঁছে যায়। ভাঙড়ের সঙ্গে লালবাজারের সমন্বয় গড়ে কাজ করবেন তাঁরা। আর তাও নিয়মিত।꧋ কদিন আগে উত্তর কাশীপুর থানা এলাকায় শুটআউটের ঘটনা ঘটিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা ছিনতাই করা হয়। এখনও অভিযুক্তদের ধরা যায়নি। এখন গোয়েন্দা দফতর তৎপর হয়েছে ভাঙড়ে অফিস গড়ার জন্য। আগের কাশীপুর থানার পুরনো বিল্ডিংয়ে একটি অফিসে এখন কাজ চলছে।