সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এসএসসি-র ২০১৬ সালের প্রায় সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল হয়ে যাওয়ার পর থেকেই যেমন চাকরিহারা প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক, শিജক্ষাকর্মীর কান্না ও হাহাকার শোনা গিয়েছে, তেমনই রাজ্য়ের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য স্কুলের গোটা পরিকাঠামো ভেঙে পড়ার খবরও আসছে। তেমনই একটি স্কুল হল - উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ির ঘোষপাড়া জুনিয়র হাইস্কুল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সরকারি স্কুলের অবস্থা এমনিতেই শোচনীয়। কারণ - এবছর স্কুলে পড়ুয়া বলতে রয়েছে মাত্র সাতজন! স্কুলে বরাদ্দ ছিলেন একজন মাত্র শিক্ষক। দিন দশেক আগে তাঁর মৃত্যু হয়। ফলত, স্কুলটি ♈কার্যত 'অভিভাবকহীন' হয়ে পড়ে। কিন্তু, ওই স্কুলেই কাজ করতেন একজন অশিক্ষক কর্মী।
শিক্ষকের মৃত্যুতে স্কুলে পঠনপাঠন বন্ধ হয়ে গেলেও মিড-ডে মিল বন্ধ হয়নি। ফলে, বাচ্চারাও স্কুলে রোজই আসছিল। স্কুলের ওই অশিক্ষক কর্মীই বাচ্চাদের মিড ডে মিল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা-সহ স্কুলের তালা খোলা ও অন্য সমস্ত কাজ একা হাতে সামলাচ্ছিলেন। গতকালও (বৃহস্পতিবার - ৩ এপ্রিল, ২০২৫) তিন✅ি স্কুলে এসেছিলেন।
কিন্তু, স্কুল চলার সময়ের মধ্যেই ওই ব্যক্তি জানতে পারেন, তাঁর চাকরি চলে গিয়েছে। কারণ, তিনিও এসএসসি-র ২০১৬ সালের প্যানেলভুক্ত কর্মী ছিলেন। এরপরই স্কুলের ফটকে তালা ঝুলিয়ে চলে যান তি🤪নি। আজ (শুক্রবার - ৪ এপ্রিল, ২০২৫) আর স্🦂কুলমুখো হননি ওই অশিক্ষক কর্মী। ফলে স্কুলের তালাও খোলা হয়নি!
স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে স্থানীয়দের মনে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি স্কুলের তালা আর খুলবে না? এদিকে, বেলা ১১টা বেজে যাওয়ার পরও স্কুলের গেট না খোলায় সেই খবর যไায় স্কুল পরিদর্শকের কাছে। তিনি অন্য একটি স্কুল থেকে এক শিক্ষিকাকে ওই স্কুলে পাঠান। সেই শিক্ষিকা স্কুলে আসেন, বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় চাবির হদিশ পান, এবং তারপর তিনি স্কুলের ফটক খোলেন!
এখন প্রশ্ন হল, এত তো গেল একদিনের জোড়াতাপ্পি। এরপর কী বন্দোবস্ত করা হবে? রোজই কি ওই শিক্ষিকা 🔥অন্য স্কুল থেকে এসে ♏এই স্কুলের তালা খোলা ও বন্ধ করবেন? আর, তারপরও প্রশ্ন থাকে - এই স্কুলে পড়াবেন কে? মিড ডে মিল-সহ অন্য়ান্য ব্যবস্থাপনা চলবে কীভাবে? প্রশ্নমালা খুব সহজ। কিন্তু, উত্তর আপাতত খুব কঠিন! বিষয়টি নিয়ে অন্য স্কুল থেকে আসা সেই শিক্ষিকা কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
অন্যꦑদিকে, স্কুল পরিদর্শক বালিকা গোলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি সবটাই শুনেছেন। সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।