নিয়োগ অবৈধ। তৃণমূল শিক্ষা সেলের নেতা সিরাজুল ইসলামকে পত্রপাঠ চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। ২০১১ সালেই সিরাজুলকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তার পরও তিনি কী করে এতদিন চাকরি করলেন তা রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন বিচারপতি।তৃণমূলের নয়নের মণি সিরাজুল দলের হাওড়া জেলা মাধ্যমিক শিক্ষাসেলের সাধারণ সম্পাদক। ১৯৯৮ সালে বাম জমানায় তিনি দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তিনি চাকরি করে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। সেই মামলা চলছিল বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে। গত ১৩ মার্চ সেই মামলার শুনানিতে সিরাজুলের বিরুদ্ধে FIR দায়েরের নির্দেশ দেন বিচারপতি বসু। সঙ্গে প্রশ্ন করেন, দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ার পরেও কী করে তিনি শিক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন?বিচারপতি বসুর নির্দেশ থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে বিচারপতি মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন সিরাজুল। সেই মামলার শুনানি ছিল বুধবার। মামলার শুনানিতে বিচারপতি মান্থা বলেন, আজই এই ব্যক্তিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হল।শুধু দুর্নীতি করে চাকরি পাওয়া নয়, সিরাজুলের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও শিক্ষা দফতরের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ রয়েছে।