শুধু🐻 রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু থেকে বাদ পড়ার জন্যই নয়, আরও এক কারণে নিজেকে প্রমাণে মরিয়া ছিলেন সিরাজ, বলছেন বীরেন্দ্র সেহওয়াগ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে দুরন্ত পারফরমেন্স করেন সিরাজ। ভারতীয় দলে খেলা এই পেসার নিজের ৪ ওভারে দেন মাত্র ১৯ রান, তুলে নেন ৩টি উইকেট। যেমন গতি, তেমনই সুইং এবং নিজের লাইন লেন্থে নিয়ন্ত্রণ রেখেই বিরাটদের দলের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন সিরাজ। বদলার আগুন যে তাঁর বুকে জ্বলছিল, সেটা বোঝা যাচ্ছিল তাঁর বোলিংয়ের শুরু থেকেই। তবে পুরনো দল এবং প্রিয় বন্ধু বিরাটের বিরুদ্ধে বোলিং করার আগে আবেগপ্রবণও হয়ে পড়েছিলেন ডিএসপি সিরাজ।
তবে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতোই সিরাজ ফিরেছেন নিজের ছন্দে। দেখিয়ে দিয়েছেন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির দলের বিরুদ্ধে, যে তিনি নতুন বল হাতে সত্যিই ভয়ঙ্কর। সেহওয়াগও সেটাই বলছিলেন ক্রিকবাজে নিজের 🌳বিশ্লেষণে। যে সিরাজ কেবলমাত্র আরসিবি থেকে বাদ পড়েছেন বলেই এমন পারফরমেন্স দিতে মুখিয়ে ছিলেন না, পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকে বাদ পড়াও তাঁকে ভিতরে ভিতরে🔯 আঘাত দিচ্ছিল।
চিন্নাস্বামীতে নতুন বল হাতে প্রথম তিন ওভারে সিরাজ দেন ১২-১৩ রান মতো। চাইলে সেই সময়ই তাঁকে দিয়ে চতুর্থ ওভারও করিয়ে নিতে পারতেন অধিনায়ক, তাহে হয়ত আরেকটি উইকেটও তিনি নিতে পারতেন, মনে করছেন বীরু। তাঁর কথায়, ‘ওর মধ্যে একটা আগুন লক্ষ্য করলাম। আমার মনে হয় এই আগুনটা ওর ভিতরে জ্বলছিল কারণ ওকে চ্যাম্প🀅িয়ন্স ট্রফির স্কোয়াড থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছিল। একজন তরুণ ফাস্ট বোলারের এমন পারফরমেন্স ও কামব্যাকই আমরা আশা করে থাকি, যে তুমি আমায় দলে নাও নি তো? ঠিক আছে, এবার আমি দেখাব বোলিং কাকে বলে। আশা করব আগামী দিনেও এই বোলিং জারি রেখে ও ভারতীয় দলে ঢুকবে ’।
চলতি মরশুমে আগে আইপিএলে তাঁর পুরনো দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু সিরাজকে রিটেন করেনি, এমনকি নিলামের টেবিলেও তা💖ঁকে নিতে তেমন আগ্রহ প্রকাশ করেনি। তিনি বারবারই বলছিলেন, আরসিবিকে তিনি ভালোবাসেন। তবে লয়্যালটির কোনও দামই আরসিবি দেয়নি সিরাজকে। তাই প্রথম ওভারে বিরাট কোহলি তাঁকে চার মারলেও এরপর তিনি ফিল সল্ট, দেবদূত পাডিক্কালকে ক্লিন বোল্ড করে নিজের দক্ষতা দেখান, যার ফলে পাওয়ারপ্লের ভিতরেই আরসিবির ৪ উইকেট পড়ে যায়।
ম্যাচ শেষে মহম্মদ সিরাজ কিন্তু আরও একবার ভাসলেন আবেগে। তিনি সাফ কথায় স্বীকার করে নিলেন, ‘আমি এখানে সাত বছর খেলেছি, তাই এখানে খেলাটা আমার কাছে খুবই আবেগের বিষ🦩য় ছিল। একটা নার্ভাসনেস বা স্নায়ুচাপ কাজ করছিল, কিছু আবেগও তাঁড়া করছিল। কিন্তু আমি নিজের ওপর ভরসা রেখেছিলাম যে আমি ভালো কিছু করে দেখাতে পারব, সে আমি যেই দলেই খেলিনা কেন। এই মানসিকতাই রেখেছিলাম এবং ম্যাচ জিতেছি ’।