রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড বা বিএসএনএল-এর গাফিলতির জেরে ১,৭৫৭.৭৬ কোটি টাকা🤡র ক্ষতি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এমনটাই জানিয়েছে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ)।সূত্রের খবর, টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল ২০১৪ সাল থেকে রিলায়েন্স জিওকে প্যাসিভ ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ারিংয়ের চুক্তি অনুসারে ১০ বছরের জন্য বিল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে♓।বেশ কিছু সময় ধরেই ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে জটিল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিকম সংস্থাটি।
আরও পড়ুন-Air Force Fighter: ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার জাগুয়ার যুদ্ধবিমান! দুর্☂ঘটনায় মৃত্যু ১ পাইলটের
ক্যাগ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৪ সালের মে মাস থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত দশ বছর ধরে রিলায়েন্স জিওকে বিল পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএনএল। যদিও বিএসএনএল এবং রিলায়েন্স জিও-এর মধ্যে প্যাসিভ ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ারিং-এর জন্য একটি চুক্তি ছিল, তবুও বিএসএনএল তা কার্যকর করতে পারেনি বলে জানিয়েছে ক্যাগ।এছাড়াও, বিএসএনএল টেলিকম ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রোভাইডারদের দেও♔য়া রাজস্বের অংশ থেকে লাইসেন্স ফি কাটতে ব্যর্থ হওয়ায় আরও ৩৮.৩৬ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্যাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'বℱিএসএনএল রিলায়েন্স জিও-এর সঙ্গে করা মাস্টার সার্ভিস অ্যাগ্রিমেন্ট কার্যকর করতে ব্যর্থ হয়েছে। এবং বিএসএনএল-এর শেয়ার করা প্যাসিভ ইনফ্রাস্ট্রাকচারে অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য বিল করতে পারেনি। এর ফলে মে ২০১৪ থেকে মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত সরকারের ১,৭৫৭.৭৬ কোটি টাকা এবং তার উপর সুদের ক্ষতি হয়েছে।' এছাড়াও, বিএসএনএল-এর পক্ষ থেকে প্যাসিভ ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ারিং চার্জ যথাযথভাবে হিসাব করা হয়নি।ক্যাগ আরও জানিয়েছে, 'রিলায়েন্স জিও-এর সঙ্গে চুক্তির শর্তাবলী অনুসরণ না করার কারণে এবং মূল্যবৃদ্ধির হিসেব প্রয়োগ না করার ফলে বিএসএনএল-এর ২৯ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।'
আরও পড়ুন-Air Force Fighter: ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার জাগুꦛয়ার যুদ্ধবিমান! দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১ পাইলটের
আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে টেলিকম খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিএসএনএল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থতা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে, মোবাইল সংযোগ বাড়ানোর দৌড়ে প্রতিযোগীদের ইতিমধ্যেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিএসএনএল। ১꧂৭ বছর পর লাভের মুখ দেখেছে বিএসএনএল। আর্থিক বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে ২৬২ কোটি টাকা লাভ করেছে এই সংস্থা। বিএসএনএলের হারানো গৌরব ফেরাতে জোর দেওয়া হচ্ছে ৪🎐জি ও ৫জি পরিষেবায়। আগামী মে-জুনের মধ্যে এক লক্ষের বেশি ৪জি টাওয়ার চালু হবে বলে জানিয়েছে সংস্থা। বহু এলাকায় চালু হবে ৫জি। পরিকল্পিত এক লক্ষ টাওয়ারের মধ্যে ৭৫ হাজার টাওয়ার ইতিমধ্যেই বসানো হয়েছে এবং প্রায় ৬ হাজার টাওয়ার চালু করা হয়েছে। চলতি বছরের জুনের মধ্যে সমস্ত টাওয়ার চালু করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।