প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা,😼 শিক্ষাকর্মী এবং অশিক্ষক কর্মচারীর চাকরি বাতিল নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেত্রী তথা অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্য়ায়। গোটা ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার প্রবল সমালোচনা করেছেন তিনি।
হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র প্রতিনিধিকে রূপা জানান🦄, রাজ্য সরকার চাইলে অনেক আগেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারত। কিন্তু, তারা তা করেনি। কারণ, তারা এই সমস্যার কোনও সমাধান আসলে করতেই চায়নি। সেই কারণেই, এক আদালত থেকে অন্য আদালত, হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚ ঘুরেছে, মামলা রুজু করেছে আর সময় নষ্ট করেছে। যার খেসারত চাকরি খুইয়ে দিতে হল যোগ্য চাকরিপ্রাপকদের।
রূপা যুক্তি সহকারে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তাঁর বক্তব্য়, 'হাইকোর্টে তো এই মামলা অনেক দিন ধর🌊ে চলেছে। তো এত দিনেও রাজ্য সরকার বা রাজ্য প্রশাসন এমন কোনও তথ্যপ্রমাণ আদালত🦩ে দাখিল করতে পারল না, যা থেকে এটা বোঝা যায় যে কারা টাকা দিয়ে চাকরি কিনেছেন? কিংবা কারা খালি খাতা (ফাঁকা ওএমআর শিট) জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন?'
আক্ষেপ ও ক্ষোভের সুরে রূপা বলেছেন, 'যাঁরা চুরি করেছেন, যাঁরা অন্যায় করেছেন, সেই꧙ অন্য়ায় করা লোকগুলির সঙ্গেই বাকি যাঁরা অন্যায় করেননি, তাঁরাও ফেঁসে গেলেন। তাঁদের জীবন বিপন্ন হল। ভয়ঙ্করভাবে বিপন্ন হল।'
আদালཧতের চাকরি বাতিল করে দেওয়া সংক্রান্ত রায় প্রসঙ্গে রূপা মনে করেন, 'তথ্যপ্রমাণ ছাড়া তো কোর্টেরও কিছুই করার নেই। কোনও অপশন নেই। আদ🐼ালত কীভাবে যোগ্য আর অযোগ্যদের আলাদা করবে?'
রূপা মনে করেন, এই সবটাই আসলে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাফিক করা হয়েছে। যাতে রাজ্যের 'ঘোটালা' আড়াল করা যায়। রূপা বলেন, '▨এসবই তো প্ল্যান করে করেছে। এটা করতে পারে না। সেই কারণেই মাঝখান থেকে সব💦াইকে এর দায়ভার নিতে হল!'
রাজ্যের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও এদিন প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রূপা। তাঁর দাবি, সর্বশিক্ষা মিশনের অর্থে বালিকা বিদ্যালয়গুলি কোনও মতে বাঁচানো গেলেও বাকি সরকারি স্কুলগুলির বেহাল দশা। এবং সেটা আজ নয়, অনেক দিন আগেই হয়েছে। এমনকী, স্কুলে চাকরির♚ নামে যে আদতে বিরাট একটা 'ঘোটালা' চলছে, সেই অভিযোগও তোলেন রূপা।
তিনি বলেন, 'এমন অনেক লোক আছেন, যাঁরা কোনও দিন স্কুলেও যান না। পুরোটাই আসলে ঘোটালা। যাঁরা সৎভাবে চা൩করি পেয়েছিলেন, (এই ঘটনা) তাঁদের পরিবারকেও (প্রায় ২৬ হাজার) ধ্বংসের পথে ঠেলে দিল। নিজেদ🍨ের দোষ আড়াল করতে, শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে এটা ইচ্ছা করে করা হল।'
যদিও এত কিছুর পরও রূপা বলেন, তিনি চান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করুন। কারণ, তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্র🍰ী। বাংলার মানুষ তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। রূপার মতে, রাজ্য সরকারের যদি সত্যিই সদিচ্ছা থাকে, তাহলে তিনদিনে পদক্ষেপ করা যায় এবং এক-দু'মাসের মধ্য়ে সমস্যা মিট🐷িয়ে ফেলা যায়।