🎃 আগামী ২৪ মার্চ সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে দেশের সমস্ত বাম গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনগুলি। এই নিয়ে এখন জোর প্রস্তুতি চলছে। কারণ হাতে আর বেশি সময় নেই। পাঁচদিন এখন হাতে রয়েছে। ওই মিছিল এবং আন্দোলনের জেরে রাজধানীর বুকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই দিল্লি পুলিশকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বলে খবর। ইউজিসি’র খসড়া প্রস্তাব বাতিল, জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ বাতিল এবং দেশের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরানোর দাবিতে এই মিছিল করবে বাম গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনগুলি। দেশের সমস্ত গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ ছাত্র সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ ‘ইউনাইটেড স্টুডেন্টস অফ ইন্ডিয়ার’ ডাকে এই মিছিল হবে।
🌺জেএনইউ থেকে জেইউ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে মোদী সরকারের নীতির জেরে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়ছে বলে অভিযোগ বাম ছাত্র সংগঠনগুলির। তারই প্রতিবাদে এই ঐক্যবদ্ধ মিছিল। এই বিষয়ে এসএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক ময়ূখ বিশ্বাস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য ঠিক করে দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। আরএসএসের অনুগামীদের জোর করে বসানো হচ্ছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায়। এই অগণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছাত্ররা কিছুতেই মেনে নেবে না।’ সুতরাং মিছিলের ঢেউ যে রাজধানীর বুকে আছড়ে পড়বে তা বোঝাই যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: কলকাতা পুলিশের সরকারি ওয়েবসাইটে বিভ্রাট, লালবাজারে অভিযোগ জানানো স্তব্ধ!
আরএসএস এবং বিজেপি হাত মিলিয়ে ছাত্রদের উপর আক্রমণ করছে বলে অভিযোগ বাম ছাত্র সংগঠনগুলির। তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে অরাজক পরিস্থিতি। এসবের অবসান ঘটাতে আন্দোলনই একমাত্র পথ বলে মনে করে এসএফআই। তাই এই বিষয়ে ময়ূখের বক্তব্য,♌ ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হায়দারাবাদ সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি একই কায়দায় ছাত্রদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে। আরএসএস বিজেপি চায় ছাত্রদের গণতান্ত্রিক পরিসর কমিয়ে আনতে এবং তা অত্যাচার করেই। তাই তারা ক্যাম্পাসে নির্বাচন করে না। স্বাধীন চিন্তার বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা দেয়।’
যদিও ছাত্র রাজনীতি এখন হিংসা এবং নোংরা হয়ে গিয়েছে বলে অনেকের মত। নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি বনাম এসএফআই–সহ অন্যান্য বাম ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে প্রতিনিয়ত হিংসা সেই সাক্ষ্য বহন করে বলে অনেকের মত। তবে ছাত্রদের রাজনীতি বিমুখ করতে উদ্ধত হয়েছে কেন্দ্রের সরকার বলে অভিযোগ ইউনাইটেড স্টুডেন্টস অফ ইন্ডিয়ার।ꦗ যে ছাত্র ১৮ বছরের বয়সে ভোটদানের অধিকার পায় সেই ছাত্রই আবার ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকছে। তাই এই মিছিল দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে যাবে পার্লামেন্ট পর্যন্ত বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।