আর একদিন পরই শুরু হয়ে যাচ্ছে আইসিসি 🥀চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম সংস্করণ। আটটি সেরা দল নিয়েই হবে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইভেন্ট। ২০১৭র পর প্রথমবার এই প্রতিযোগিতা আয়োজিত হচ্ছে। গতবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইভেন্ট জিতেছিল পাকিস্তান, ফাইনালে তাঁরা হারিয়েছিল ভারতকে। এবারে মূল আয়োজক দেশ পাকিস্তানই।
১৯ তারিখ শুরু প্রতিযোগিতা
১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম ম্যাচ প্রতিযোগিতার। খেলবে নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান। একদিন পরই নামবে ভারত-বাংলাদেশ। ২০০৬ সাল থেকে ৮টি দল নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স🌟 ট্রফি হচ্ছে, তাই তাঁর ফরম্যাটে নতুন করে কোনও বদল আসেনি। দুটি গ্রুপে চারটি করে দলকে রাখা হয়। গ্রুপের চার দল নিজেদের মধ্যে একটি করে ম্যাচ খেলে। তার থেকে দুটি করে দল শেষ চারে ওঠে।
ম্যাচ জিতলে ২ পয়েন্ট, টাই হলে ১ পয়েন্ট
প্রতি ম্যাচ জিতলে দলগুলো পাবে ২ পয়েন্ট করে। ম্যাচ বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেলে, টাই হলে বা পরিত্যক্ত হলে দলগুলো পাবে ১ পয়েন্ট করে। গ্রুপ এতে রয়েছে - ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ডܫ। গ্রুপ বিতে রয়েছে- অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড এবং আফগানিস্তান।
কীভাবে সেমিতে যাবে দলগুলো?
যদি গ্রুপ স্টেজের সব ম্যাচের শেষে পয়েন্ট সংখ্যা একাধিক দলের একই হয়ে যায় সেক্ষেত্রে প্রথমে দেখা হবে কোন দলে বেশি সংখ্যাক ম্যাচে⛎ জিতেছে। যদি পয়েন্ট এবং জয়ী ম্যাচের সংখ্যা মিলে যায় একাধিক দলের, তখন নেট রান রেট বিচার করা হবে। এরপরেও যদি দুই দল একই বিন্দুতে থাকে, তখন দেখা হবে সেই দুই দলের মধ্যে হেড টু হেডে কে এগিয়ে, অর্থাৎ এই প্রতিযোগিতায় এবারের সংস্করণে কে জিতেছে হেড টু হেড ম্যাচ। আর যদি কোনও ম্যাচই খেলা না হয়, তাহলে প্রতিযোগিতার শীর্ষ বাছাই অনুযায়ী সেমির দলগুলোকে বেছে নেওয়া হবে।
সেমির ফরম্যাট
সেমিফাইনালে🍎 গ্রুপ এর এক নম্বর দল মুখোমুখি হবে গ্রুপ বির দ্বিতীয় দলের। আর গ্রুপ বির এক নম্বর দল মুখোমুখি হবে গ্রুপ এর দ্বিতীয় দলের। ভারতীয় দল সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করলে ৪মার্চ ম্যাচ খেলবে দুবাইতে। একইভাবে পাকিস্তান যদি শেষ চারে ওঠে তাহলে তাঁরা তাঁদের ম্যাচ খেলবে ৫ই মার্চ লাহোরে। সেমিফাইনাল যদি কোনও কারণে টাই হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে সুপার ওভারে নির্ধারিত হবে বিজয়ী দল। আর যদি সুপার ওভার না হয় বা খেলা সম্পন্ন করা না যায়, তাহলে গ্রুপ স্টেজের পর যেই দলের পারফরমেন্স ভালো থাকবে তাঁরাই যাবে ফাইনালে।