জয়ের জন্য ১৬ বলে সাত রান দরকার কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর)। আর শতরানের জন্য নয় রান চাই কুইন্টন ডি'ককের। অর্থাৎ একটি চার এবং একটি ছক্কা মারলেই কেকেআর জিতে যেত। আর সেঞ্চুরি পূরণ হয়ে যেত ডি'ককেরও। কিন্তু সেই অবস্থায় জোফ্রা আর্চারের পরপর দুটি ওয়াইডের জন্য পুরো বিষয়টি ঘেঁটে যায়। নিজের শতরান পূরণের জন্য দক্ষি💞ণ আফ্রিকার তারকাকে প্রথমে চার মারতে হত। তারপর হাঁকাতে হত ছক্কা। সেটা আর হয়নি। প্রথম বলেই ছক্কা মেরে কেকেআরকে জেতালেও নিজে ৯৭ রানে অপরাজিত থা☂কেন প্রোটিয়া তারকা। আর তারপরই নেটিজেনদের একাংশ অভিযোগ তুলেছেন যে ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়াইড করে ডি'কককে শতরান করতে দিলেন না আর্চার।
'জঘন্য স্পোর্টসম্যানশিপ', রোষানলে আর্চার
তেমনই এক নেটিজেন বলেন, ‘জোফ্রা আর্চার ইচ্ছা করে ওয়াইড করে সেঞ্চুরি করতে দিল না কুইন্টন ডি'কককে।’ একইসুরে অপর এক নাইট ভক্ত বলেন, ‘কুইন্টন ডি꧟'কক ভালোবাসা নেবেন। আর্চার ইচ্ছাকৃতভাবে দুটি ওয়াইড করলেন, যাতে উনি (ডি'কক) শতরান করতে না পারেন। বোলারের লজ্জাজনক ষড়যন্ত্র।’ অপর এক নেটিজেন বলেন, 'জঘন্য স্পোর্টসম্যানশিপ আর্চ♒ারের।'
৪, ৬, ওয়াইড, ওয়াইড, ৬…..
আর যে দুটি ওয়াইডের জন্য নেটিজেনদের রোষানলের মুখে পড়েছেন আর্চার, সেটা করেন ১৮ তম ওভারে। ওই ওভারে যখন বল করতে আসেন আর্চার, তখন🐠 জয়ের জন্য ১♉৮ বলে ১৭ রান দরকার ছিল কেকেআরের। প্রথম বলেই চার মারেন ডি'কক। দ্বিতীয় বলেই ফাইন লেগের উপরে দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকান কেকেআর ওপেনার।
আর্চারের দ্বিতীয় ওয়াইডটা বিশাল বড় ছিল
সেই পরিস্থিতিতে অঙ্কটা খুব সহজ ছিল। ম্যাচ জিততে ১৬ বলে সাত রান লাগবে কেকেআরের। আর শতরানের জন্য প্রোটিয়া তꦆারকাকে নয় রান করতে হবে। কিন্তু তৃতীয় বলটা অফস্টাম্পের বেশ কিছুটা বাইরে করেন আর্চার। অর্থাৎ জয়ের জন্য কেকেআরের বাকি ছিল ছয় রান।
সেক্ষেত্রে নিজের শতরান পূরণ করতে প্রোটিয়া তারকাকে প্রথমে চার মারতে হত। তারপর মারতে 🗹হত ছক্কা। কিন্তু ফের লেগ সাইডে বিশাল ওয়াইড করেন আর্চার। এতটাই বাইরে বল করেন যে উইকেটের পিছনে পুরো ঝাঁপিয়ে পড়ে কোনওক্রমে বলটা বাঁচান 𒉰ধ্রুব জুরেল। নাহলে নিশ্চিতভাবে ওটা চার হয়ে যেত।
আরও পড়ুন: IPL 2025 Poi🔴nts Table: RR-কে হারিয়ে ছয়ে লাফ মারল KKR, লাস্টবয় এখন রাজস্থান, শীর্ষে রয়েছে কোন দল?
জুরেল দুর্দান্তভাবে বলটা বাঁচিয়ে দেওয়ায় জয়ের জন্য কেকেআরের পাঁচ রান দরকার ছিল। আর শতরানের কুইন্টনের দরকার ছিল নয় রান। সেই পরিস্থিতিতে প্রথম বলটাই ছক্কা হাঁকান। শতরান পূরণের জন্য তাঁকে চার মারতে হত। তারপর ছক্কা মারতে হত কুইন্টনকে। তিনি প্রথম বলেই ছক্কা মেরে খেলা শেষ করে দেন। ১৫ বল বাকি থাকতেই দলকে আট উইকেটে জিতিয়ে দেন। আর নিজে ৬১ বলে ৯৭ র🌄ানে অপরাজিত থা๊কেন।