প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অনিল শর্মা পরিচালিত ‘হিরো: লাভ স্টোরি অফ এ স্পাই’-এর হাত ধরে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। অনিল শর্মা ‘গদর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। ভুল নোস জব হওয়ার পর ইন্ড্রাস্টিতে প্রিয়াঙ্কার টিকে থাকা বেশ কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই সময় নায়িকাকে তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছিলেন। শুধু তাই নয় অনিল নিজে প্রযোজক সুনীল দর্শন এবং সুভাষ ঘাইকে 'আন্দাজ' 💝এবং ‘আতরাজ’-এ কাস্ট করতে রাজি করেছিলেন।
সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিল শর্মা বলেন, ‘ওঁর সাফল্যে আমার কোনও হাত নেই। তিনি সফল কারণ তিনি খুবই প্রত🎃িভাবান। যদি আপনি প্রকৃত অর্থেই ভালো হন, তবে ভগবান আপনার জীবনে এমন কিছু মানুষকে পাঠিয়ে দেন যাঁরা হয়তো আপনাকে আপানার লক্ষ্যের দিকে আরও খানিকটা এগিয়ে যেতে সাহায্য করেন। আমি মনে করি আমিও সেই ব্যক্তিদের মধ্যে একজন।’
আরও পড়ুন: বিয়ের ১ মাস! ‘একটু বউকে নিয়ে…’,শ্বেতার সঙಞ্গে একান্ত মুহূর্ꦉতের ছবি দিলেন রুবেল
কিন্তু প্রিয়🍃াঙ্কা কি এ𝔍খনও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন? এই প্রসঙ্গে অনিল শর্মা বলেন, ‘তিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। যদি তিনি আমাকে ১০০ জনের ভিড়ে দেখেন, তাও সেই ভিড় ঢেলে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আমাদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। ওঁর বাবার সঙ্গেও আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল।’
কিন্তু কেন ‘হিরো’-এর পর তাঁর আর কোনও ছবিতে প্রিয়াঙ্কাকে কাজ করতে দেখা যায়নি? এই প্রসঙ্গে অনিল বলেন, ‘প্রিয়াঙ্কা এত বড় তারকা হয়েꦡ উঠেছে, তাই ওঁর উপযুক্ত কোন🐠ও চরিত্র এখনও পাইনি।’
আরও পড়ুন: সোহা-কুণালের বিয়েতে মত ছিল না শর্মিলার! দাবি, ‘খুব অহংকার…’, সেটা মেয়ে না জামাইয়🐻ে🙈র
এর আগে, সিদ্ধার্থ কন্ননকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিল শর্মা জানিয়েছিলেন কীভাবে প্রিয়াঙ্কা ভুল নোস জবের জন্য অনেকগুলি কাজ থ🐠েকে বাদ পড়েছিলেন। সেই সময় নায়িকা মুম্বই ছেড়ে চলে যাবেন বলেও ঠিক করেছিলেন। এমনকি তিনি ‘হিরো’-এর জন্য ৫ লক্ষ টাকা সাইনিং অ্যামাউন্টও ফেরত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় অনিলই তাঁকে মুম্বইতে থেকে যেতে রাজি করান।
পরিচালক ⛦বলেন, ‘তিনি চেক ফেরত দিতে এসেছিলেন। বলেছিলেন তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে বহু কাজ থেকে। তিনি বেরেলিতে ফিরে যাচ্ছেন। তখন আমি ওঁকে ধমক দিয়েছিলাম। টাকাটা রাখতে বলেছ✱িলাম। তখনই তিনি আমাকে বলেন যে, তাঁর নোস জবের কারণেই এই সব হচ্ছে।’
অনিল শর্মা আরও জানান যে, প্রিয়াঙ্কার পরিবা𒁏র তাঁকে এই বিষয়টি ঠিক করার জন্য কিছুদিনের জন্য বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিল। পরিচালকের কথায়, ‘ওঁর বাবা সেনাবাহিনীতে ফের🍬 যোগ দিয়েছেন। ওঁর মা আবার করে ডাক্তারি শুরু করবেন বলে ভেবেছিলেন। আসলে ওঁরা খুব সাধারণ, আম্বানিদের মতো নয়। চিকিৎসা তারপর মুম্বইতে বাড়ি ভাড়া, ব্যয়বহুল জীবনযাত্রা ওঁদের জন্য বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু আমি তখন ওঁদের এখানে থাকতে বলেছিলাম।’