একবার ফেব্রুয়ারিতে হবে সিবিএসই দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা। আর একবার বোর্ড পরীক্ষা হবে মে'তে। ২০২৬ সাল থেকেই সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) বছরে দু'বার দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে একটি রিপোর্টে꧒ জানানো হল। সংবাদসংস্থা টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য সোমবার সেই খসড়া পরিকল্পনা জনসমক্ষে আনা হতে পারে। নয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, পড়ুয়ারা যে সময় পরীক্ষা দিতে চাইবে, সেইসময় বোর্ড পরীক্ষায় বসতে পারবে। কেউ চাইলে তাকে দু'বারই পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় বোর্ড। তারা কোন বিষয় বেছে নেবে, সেটাও নির্ধারণের সুযোগ দেওয়া হবে বলে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা নিয়ে CBSE-র পরিকল্পনা
১) কবে কবে পরীক্ষা হতে পারে? বছরে দু'বার হতে পারে সিবিএসই দ🔯শম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা। একবার ফেব্রুয়ারিতে হবে। একবার মে'তে 🌊হতে পারে।
২) বোর্ড পরীক্ষার শিথিল নিয়ম: পড়ুয়ারা দুটি পরীক্ষা দিতে পারবে। অথবা কোনবারের পরীক্ষা দেবে, সেটা বেছে নিতে পারবে। দু'বা🦄রই প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা দিতে পারবে পড়ুয়ারা। তারা চাইলে প্রতিবার নির্দিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা দিতে পারবে। অর্থাৎ কেউ যদি চায়, তাহলে ফেব্রুয়ারিতে অঙ্ক পরীক্ষা দিতে পারে। আবার সায়েন্সের পরীক্ষা দিতে পারে মে'তে।
৩) কীভাবে নম্বর হিসাব করা হবে? দুটি পরীক্ষ💦ার মধ্যে যে বার বেশি নম্বর পাবে পড়ুয়ারা, সেটাই চূড়ান্ত মার্কশিটে থা🐠কবে।
৪) কম সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ: টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুটি পরীক্ষার মধ্যে কমদিনের ব্যবধান থাকবে। যাতে দ্রুত পরীক্ষা শেষ করা যায়, সেজন্য দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনও ব্যবধান থাকবে না অথবা একদিন ব্যবধান থাকবে। আবার সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দু'সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষা শেষ൲ করে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
৫) কবে থেকে নয়া ব্যবস্থা চালু হবে? রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শি🏅ক্ষাবর্ষ থেকে নয়া কাঠামো চালু 🐽করা হবে। আর সেই নয়া কাঠামোর আওতায় প্রথমবার দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা হবে ২০২৮ সালে।
আরও পড়ুন: ভবিষ্যতের চাকরির বাজ♎ার কাঁপাবে ভারত, নিঃশ্বাস ফেলছে আমেরিকার ঘাড়েও!
বছরে ২ বার পরীক্ষার অনেক সমস্যাও আছে
যদিও সেই পর🔯িকল্পনা বাস্তবায়নের কাজটা যে সহজ নয়, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই সংশ্লিষ্ট মহলের। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বোর্ডের আধিকারিক জানিয়েছেন যে বছরে দু'বার বোর্ড পরীক্ষা হলে প্রশ্নপত্র পাঠানো, সুষ্ঠুভাবে পুরো প্রক্রিয়া চালানো, মূল্যায়নের জন্য সময় বের করার মতো সমস্যা আছে। তবে সেইসব সমস্যার মোকাবিলার জন্য আরও বেশি সংখ্যক আঞ্চলিক অফিস খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বোর্ডের ওই আধিকারিক।