যুদ্ধবিমান, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল থেকে ইনফ্র্যান্টি কমব্যাট🤪 ভেহিকেল, সমুদ্রে টহলদারি বিমান- নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে জোর দেওয়া হল। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরে যে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে জানানো হয়েছে, মহাকাশ, এয়ার ডিফেন্স, ক্ষেপণাস্ত্র, সমুদ্র, গভীর সমুদ্র-সহ বিভিন্ন প্রতিরকౠ্ষা ক্ষেত্রে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হয়েছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। সেই রেশ ধরেই ভারতকে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এবং গভীর সমুদ্রের সিস্টেম প্রদানের বিষয়ে যে নীতি আছে, তা পর্যালোচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে আমেরিকা। সার্বিকভাবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধবিমান থেকে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল নিয়ে আলোচনা
আর দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় যে যে অস্ত্র বা প্রতিরক্ষার সরঞ্জামের কথা উঠে এসেছে, সেই তালিকায় পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, 'জ্যাভেলিন' অ্যান্টি-ꦍট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল, স্ট্রাইকার' ইনফ্র্যান্টি কমব্যাট ভেহিকেলের মতো সরঞ্জাম আছে। ট্রাম্প তো মোদীর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন যে ভারতকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি করবে ভারত। মোদী অবশ্য নির্দিষ্টভাবে কিছু বলেননি।
পি-৮আই মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট নিয়ে কথা
তবে যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দু'দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা একমত হয়েছেন যে ভারতে আরও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করবে আমেরিকা। ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করা হবে। ভারতে যৌথভাবে 'জ্যাভেলিন' অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল এবং 'স্ট্রাইকার' ইনফ্র্যান্টি কমব্যাট ভেহিকেল তৈরির ঘোষণা করেছেন তাঁরা। বিক্রির শর্তে রাজি হওয়ার পরে আরও ছꩵ'টি পি-৮আই মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট কেনার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে বলে তাঁরা আশা♊প্রকাশ করেছেন। তাছাড়াও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একাধিক নীতি নির্ধারণ, নিয়মকানুন নিয়েও পর্যালোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এফ-৩৫ ফাইটার জেটের ঘোষণায় আপ্লুত, বলল লকহেড মার্টিন
🌳আর সেই আবহে মার্কিন অস্ত্র প্রস্তুতকারক সংস্থা লকহেড মার্টিনের তরফে বলা হয়েছে, ‘ভারতকে এফ-৩৫ ফাইটার জেট প্রদানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে ঘোষণা করেছেন, তাতে আমরা আপ্লুত। ফাইটার জেট, জ্যাভেলিন, হেলিকপ্🐈টার-সহ বিভিন্ন কৌশলগত প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বিষয়ে আমরা দুটি সরকারের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে মুখিয়ে আছি আমরা। যা একবিংশ শতাব্দীর সুরক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভারতের সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।’