বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় ইউনুসের সরকার নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় আছে। এই নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেন, 'শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মাত্রা ও চরিত্রকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।' বিদেশ বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির এই বৈঠকে বেশিরভাগ সময় জুড়েই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তিনিই এই কমিটির প্রধান। এদিকে বৈঠকে নাকি মিশ্রি আরও জানিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশের রাজনৈতিক শূন্যতাকে কাজে লাগাচ্ছে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠার আদর্শ প্রচারকারী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলি। (আরও পড়ুন: 'ভারত-চিন সম্পর্কে ইস্যু থ�ꩵ�াকবে ভবিষ্যতেও, তবে...', অকপট জয়শংকর)
আরও পড়ুন: বালোচ হুমকির মুখে পাকিস্তানে নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করল চিন, ꦫদাবি রিপোর্টে
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন💮ের রিপোর্ট নিয়ে বড় মন্তব্য ইউনুস সরকারের, বলা হ🎶ল…
এদিকে এই সবের মাঝেই সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউনুস সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সংখ্যালঘু নির্যাতন ইস্যুতে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রিপোর্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর অভিযোগ ঐক্য পরিষদের রিপোর্ট তৈরির প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। এই আবহে শফিকুল বলেন, 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রিপোর্টের ওপরে ভিত্তি করে অনেকেই বাংলাদেশের চরিত্র নির্ধারণ করছে। সেখানে দেখানো চাচ্ছে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হচ্ছে। এর আগে আরও দুটো প্রতিবেদন (ঐক্য পরিষদ) তারা দিয়েছিল। সেগুলো নিয়ে পুলিশ ‘কেস টু কেস’ তদন্ত করে দেখে দুয়েকটা বাদে বাকিগুলোর ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক কারণ ছিল না। নিয়মিত অপরাধের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে তুলে ধরছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।' (আরও পড়ুন: RAW-কে নিষিদ্ধ 𓂃করার দাবি জানানো USCIRF-কে তুলোধোনা ভারতের, প্রশ্ন প্যাটার্ন নিয়ে)
আরও পড়ুন: চি𝄹ন সফরের আগে উথলে পড়ল ইউনুসের 'ভারত প্রেম', সামনে এল নয়া তথ্য
আরও পড়ুন: শুল্ক ইস্যুতে চিন-কানাডার সঙ্গে একসারিতে ভারতকে রাখবে না আꦍমেরিকা, দাবি রিপোর্টে
শফিকুল বলেন, 'তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের ১১টি ঘটনার তদন্ত করেছে পুলিশ। তবে একটির সঙ্গেও সাম্প্রদায়িক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তাদের প্রত্যেকটা প্রতিবেদন স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করা হয়েছে। আমরা দেখছি সংগঠনটির প্রতিবেদন তৈরিতে স্বচ্ছতা নেই। তাদের প্রতিবেদন ধরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রচার করা হচ্ছে। আশা করব বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে তারা গঠনমূলক হবে। বারবার তাদেরকে বলেছꦆি প্রতিবেদন সংশোধন করার জন্য, কিন্তু তারা সেটা করেননি। তারা যে প্রতিবেদন তৈরি করে সেটা বিশ্বের অনেকেই টুইট করে। দেখা যাচ্ছে, ইউএসএ সিনেটে বা ইউকে কমনসে এই প্রতিবেদনগুলো উদ্ধৃতি করেন অনেকে।'