🧸 বিদেশে মেডিক্যাল কোর্স পড়তে চাইলেও নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কারণ ২০১৮ সালে মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (এমসিআই) যে নিয়ম জারি করেছিল, সেটা বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। বছর সাতেক আগে কাউন্সিলের তরফে জানানো হয়েছিল যে বিদেশের কোনও প্রতিষ্ঠানে ডাক্তারি (স্নাতক স্তর) পড়ার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকায় (NEET-UG) উত্তীর্ণ হতে হবে। ভারতে তো মেডিক্যাল কলেজে ভরতির জন্য নিটে উত্তীর্ণ হতেই হয়। যে প্রার্থীরা বিদেশে পড়তে যাবেন, তাঁদেরও সেই প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল মেডিক্যাল কাউন্সিল।
মেডিক্যাল কাউন্সিলের নিয়ম আইন-বিরোধী নয়!
🐠সেই সিদ্ধান্ত বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গভাই এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ডাক্তারি কোর্সে ভরতি হওয়ার জন্য নিটের যোগ্যতামান পেরনোর যে নিয়ম আছে, তা স্বচ্ছ এবং নায্য প্রক্রিয়া। কোনওভাবেই সেই নিয়মটা আইনকে লঙ্ঘন করছে। বা সেটাকে আইন-বিরোধী বলা যায় না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
নিট উত্তীর্ণ হয়েই বিদেশে পড়তে যেতে হবে!
ꦉসুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মেডিক্যাল কাউন্সিলের নিয়মাবলীর ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপের ন্যূনতম কোনও কারণ পাচ্ছে না শীর্ষ আদালত। সংশোধনী নিয়মাবলী চালু হওয়ার পরে বিদেশের কোনও প্রতিষ্ঠানে মেডিক্যাল পড়তে ইচ্ছুক কোনও পড়ুয়া সেই বিষয়ের ক্ষেত্রে ছাড় চাইতে পারেন না। সেটার কারণে ভারতের বাইরে অন্যত্র কোথাও প্র্যাকটিস করার অধিকার থেকে বঞ্চিত হন না তাঁরা। যে নিয়মাবলী জারি করা হয়েছে, তা মোটেও সংবিধান-বিরোধী নয়। ভারতীয় মেডিক্যাল কাউন্সিল আইনকেও লঙ্ঘন করছে না সেই নিয়মাবলী। তাই সমস্ত মামলা খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
বছরে দু'বার NEET-UG হবে? কী বলল হাইকোর্ট?
🌠আর সেই আবেদন খারিজ হওয়ার দিনকয়েক আগে নিট নিয়ে একটি মামলা শুনতে অস্বীকার করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভরতির জন্য সর্বভারতীয় জয়েন্ট পরীক্ষা (জেইই) যেমন বছরে দু'বার নেওয়া হয়, তেমনভাবেই বছরে দু'বার সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা (নিট) আয়োজনের দাবিতে মামলা করা হয়েছিল।
🐎যদিও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তুষার রাও গাদেলার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, নিট পরীক্ষা বছরে একবার নেওয়া হবে নাকি দু'বার, সেটা পুরোপুরি প্রশাসনিক বিষয়। তাতে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের কোনও দরকার নেই। হাইকোর্ট বলেছে, '(আপনি যে) আবেদন করেছেন, সেটা বিবেচনা করে দেখবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এটা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত।' সেইসঙ্গে হাইকোর্ট জানায়, দেশে আরও একাধিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা হয়, যাতে প্রার্থীরা একবারের বেশি সুযোগ পান না।