🅘 মদন তামাং হত্যার ঘটনায় বেশ কয়েকবছর আগে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল পাহাড় থেকে সমতল। এবার এই মামলা ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু সেখানে বিমল গুরুংয়ের আবেদনে হস্তক্ষেপই করল না সুপ্রিম কোর্ট। গোর্খা লিগ সভাপতি মদন তামাংয়ের খুনে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুংকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। ওই খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত করছে। ওই মামলায় বিমল গুরুংকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভেন্দু সামন্ত। বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধেও এই খুনের মামলায় চার্জ গঠনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে বলে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পাল্টা সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন বিমল গুরুং।
ꦗএই মামলার শুনানি ছিল আজকে। আজ, বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চ এই মামলায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘আপনি তো এখনও জামিনেই আছেন। আগে ট্রায়াল কোর্টের মামলা শেষ হোক।’ এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংকে অন্তর্ভুক্ত করার যে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্ট দিয়েছিল তা বহাল থাকল। এমনকী এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং বিচারপতি পিবি ভারালেন বেঞ্চ জানিয়ে দেন, সর্বোচ্চ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে ধাক্কা খেলেন বিমল গুরুং।
আরও পড়ুন: আবার কলকাতা পুরসভায় সাপ! প্রিন্টিং প্রেসে ঘাপটি মেরে ছিল, ধরা যায়নি এখনও
এদিকে বুধবার এই মামলারই শুনানি চলছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং বিচারপি পিবি ভারালেন বেঞ্চ তখন ভরা এজলাসে জানান, শীর্ষ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ,⛄ ‘আপনি তো জামিনেই মুক্ত রয়েছেন। তাহলে চার্জ গঠন করা নিয়ে সমস্যা কোথায়?’ এই কথা শুনে বেশ চাপে পড়ে যান বিমল গুরুং। এখন রাজনীতি নতুন পথে হাঁটতে চান বিমল গুরুং। সেখানে এমন রায় হওয়ায় চাপ বাড়ল গোর্খা নেতার উপর। এখন তিনি কী করেন সেটাই দেখার বিষয়।
অন্যদিকে সালটা ছিল ২০১০। ওই বছরের মে মাসে দার্জিলিংয়ে সভা করতে গিয়ে ছিলেন মদন তামাং। আর সকালেই প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তার উপরে কুপিয়ে খুন করা হয় মদন তামাংকে বলে অভিযোগ। ⛦ওই খুনে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে নিকল তামাংকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নিকল পিনটেল ভিলেজে পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সিবিআইয়ের হাতে তখন চলে যায় মামলা। সিবিআইয়ের চার্জশিটে বিমল গুরুং, রোশন গিরি, আশা গুরুং, বিনয় তামাংয়ের মতো পাহাড়ের ৪৮ জন নেতার নাম ছিল।