নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা - সিবিআই-কে নোটিশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে এই ন✱োটিশ জারি করা হয়।
'লাইভ ল ডট ইন'-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে - তাঁর বিরুদ্ধে রুজু করা সিবিআই-এর মামলায় জামিন চেয়ে শীর্ষ আদালতে যে আবেদন করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তারই ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে এই নোটি𒈔শ দেয় বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং 🍷বিচারপতি এন কোটেশ্বর সিং-এ বেঞ্চ।
সেই নোটিশ অনুসারে, সিবিআই-কে আদালতের কাছে জানাতে হবে কেন এখনও পর্যন্ত জেলেই থাকতে হচ্ছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এবং কেন তাঁকেꦑ জামিনে ছাড়া হচ্ছে না? এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ২০ মার্চ।
প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত পার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ২০২২ সালে। তারপর থেকে একের পর এক মামলায় জড়িয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে ইডি এবং সিবিআই - দুই কেন্দ্রীয় সংস্থাই মামলা রুজু করেছে। ফলত, এক মামলায় জামিন পেলেও অন্য কোনও মামলার জেরে জেল হেফাজত থেকে আর মুক্তি জোটেꦚনি পার্থর। অথচ, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত আরও অনেকে, যাঁদের পার্থকে গ্রেফতার করার পর একে একে পাকড়াও করা হয়েছিল, তাঁরা জামিন পেয়েছেন কোনও না কোনও কারণে। কিন্তু, পার্থ পাননি।
এই প্রেক্ষাপটে, ইডি-র মামলায় পার্থ আগেই জামিন পেয়েছিলেন। তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল শীর্ষ আদালত। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট নির♏্দে෴শ দিয়েছিল, ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই পার্থকে জামিন দিতে হবে। কিন্তু, তারপরও মুক্তি পাননি পার্থ। যার জেরে ফের একবার শীর্ষ আদালতেরই দ্বারস্থ হন তিনি।
এর মাঝখানে পার্থ গুরুতর অসুস্থও হয়ে পড়েন বলে দাবি করা হয়। যার জেরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ🍌। এর আগে পার্থর আইনজীবী বিভিন্ন আদালতে একাধিকবার তাঁর বয়সজনিত বিভিন্ন শরীরিক অসুস্থতার উল্লেখ করে জামিন চেয়েছেন। কিন্তু, 'প্রভাবশালী' তত্ত্বে এবং আরও নানা যুক্তিতে পার্থর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। অথবা, এক মামলায় জামিন পেলেও অন্য মামলায় পাননি তিনি।
প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে ♐দুর্নীতি দমন আইন এবং আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধী আইন (পিএমএলএ)-এর 🐈একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।