বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের 'রোজ গার্ডেন' থেকে বিশ্বের নানান দেশের জন্য পাল্টা-শুল্কের ঘোষণা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।'লিবারেশন ডে টারিফ' নামে ঘোষিত ওই অনুষ্ঠান পর্ব, বহু দেশের বাণিজ্যিক পরিস্থিতিতে ঝড় তুলে দিয়েছে। ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ, চিনের ওপর ৩৪ শতাংশ এমন নানান পরিসংখ্যানের পাল্টা-শুল্ক বিভিন্ন দেশের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তারই মাঝে উপ-অ্যান্টার্কটিক ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপেও শুল্ক লাগু করে দিয়েছেন ꧅ট্রাম্প।
ট্রাম্পের প্রশাসন শুল্ক ঘিরে যে লিস্ট প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে নাম রয়েছে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপের। মূলত, অস্ট্রোলিয়ার এলাকার মধ্যে পড়ে এই দ্বীপগুলি। দাবি অ্যাক্সিওস🅷ের রিপোর্টের। রিপোর্ট বলছে, এই সমস্ত দ্বীপে মানব বসতি নেই। কোনও মানুষ সেখানে থাকেন না। বরফ ঠান্ডা ওই আবহাওয়ায় থাকে পেঙ্গুইন, সিলরা। আর সেরকমই এক দ্বীপের ওপর শুল্ক চাপিয়ে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। পেঙ্গুইনদের আধিপত্যে থাকা ওই দ্বীপ ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়ে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিকে ট্রাম্প, তাঁর বক্তৃতার সময়,একটি পোস্টার ব্যবহার করে সর্বশেষ শুল্ক দ্বারা প্রভাবিত দেশ এবং অঞ্চলগুলি তুলে ধরেন, এবং সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপিত মুদ্রিত শিটে আরও তথ্য প্রদান করা হয়। তারই মধ্যে একটি শিটের নথিতে বলা হয়েছে যে, দ্বীপপুঞ্জগুলিও বর্তমানে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর ১০% শুল্ক’ আরোপ করে।
এদিকে, পেঙ্গুইনদেဣর দ্বীপে ট্রাম্পের শুল্ক বসানোর খবরে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি ওয়েবসাইটে দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে তথ্যমূলক নির্দেশিকায় হার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জকে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে বন্য এবং দূরবর্তী স্থানগুলির মধ্যে একটি’ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিক প্রোগ্রাম অনুসারে, ‘আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থের কাছে ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে জাহাজে হার্ড দ্বীপে যেতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে।’ দ্বীপপুঞ্জগুলি ‘পেঙ্গুইন, সীল এবং উড়ন্ত পাখির উপনিবেশের আবাসস্থল, যার মধ্যে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংরক্ষণের মর্যাদাপ্রাপ্ত বেশ কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে।’