বিহারের আরা জেলায় গ্রাহক সেজে তাবড় সোনার দোকানে দিনে দুপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতির কাণ্ডে ২ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরপর ধৃতদের জেরা করে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য় সামনে এসেছে। বিহার পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বাঁকুড়ার𓄧 জেলে বন্দি বিহারের গ্যাংস্টার চন্দনই ওই সোনার দোকান লুটের মাস্টারমাইন্ড। জেলে বসেই সে এই দোকান লুটের ছক কষেছে।
বৈশালীর বি🌺দুপুরের বাসিন্দা গ্যাংস্টার চন্দন বর্তমানে বাঁকুড়ায় এক জেলে বন্দি। সেখানে বসেই জেলের মধ্যে থেকে সে এই সোনার দোকান লুটের ছক কষেছে বলে, ধৃতদের জেরায় জানতে পেরেছে বিহার পুলিশ। চন্দন ওরফে প্রিন্সের নাম ধৃত কুণাল কুমার ও বিশাল গুপ্তা পুলিশকে জানিয়েছে জেরায়, বলে খবর। উল্লেখ্য, এনকাউন্টারে তারা আহত হওয়ার পর এই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে বিহারের আরায় গোপালি চক এলাকায় তাবড় সোনার দোকানে গ্রাহক সেজে গিয়ে লুটপাট চালায় দুষ্কৃতীরা। এরপরই অ্যাকশনে নামে পুলিশ। তারপর গ্রেফতার হয় দুই অভিযুক্ত। তাদের কাছছ থেকে ১০ টি বুলেট, ২ টি পিস্তল, সোনার দোকান থেকে লুট হওয়া ২ টি ব্যাগ বোঝাই সোন﷽া উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি মোটরসাইকেলও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ধৃতদের মধ্যে বিশাল আগেই হাত পাকিয়েছিল ব্যাঙ্ক লুটে। ২০২১ সালে বিগুপুরের অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক থেকে ৪৮ লাখ টাকা লুট কাণ্ডেও নাম জড়িয়েছিল বিশালের। এরপর ২০২৩ সাল। সেবার ১৩ এপ্রিল বিহারের পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক থেকে ১২ লাখ টাকা লুটে অভিযুক্ত ছিল বিশাল। সেই ঘটনায় এক গার্জকে খুনেরও অভিযোগ ছিল বিশালের বিরুদ্ধে। এদিকে, প্রশ্ন হল, বাঁকুড়ার জেলে বসে চন্দন কীভাবে ছক কষল এমন ডাকাতির? পুলিশের সূত্রের খবর, জেলের মধ্যে পাচার হওয়া ফোন ব্যবহার করে সেই ফোন থেকে এই লুটের প্ল্যান চালিয়েছে চন্দন। বিহারের আরায় সোনার দোকান লুটকাণ্ডে দুটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। এছাড়াও ঘটনায় কলকাতায় জলবন্দি সুবোধ ও বর্ধমানে জেলবন্দি নিরন্তকের নামও এই ঘটনায় চর্চায় রয়েছে। এক অফিশিয়াল HTকে জানিয়েছেন,' তিনজন গ্যাংস্টারই পশ্চিমবঙ্গের আলাদা আলাদা জেলে বন্দি আছে,তবে তারা তাদের গ্যাং সদস্যদের দ্বারা এই ধরনের অভিযান চালানোর জন্য অপরাধ সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।' পুলিশ এদের শাগরেদদের খুঁজছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে ঘটনায় ৬ জন এতে যুক্ত থাকতে পারে। তবে সংখ্যাটা ৮ থেকে ১০ও হতে পারে বলে মনে করছে বিহার পুলিশ।