নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পরেই বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ের। পরিবারের দাবি, প্রৌঢ়কে ফাঁসানো হয়েছিল। ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করায় অপমানে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। প্রৌঢ়ের নাম মনোয়ার তরফদার (৫৭)। ঘটনায় মৃতের পরিবার নাবালিকার পরিবারের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের করেছেন নদিয়ার গাংনাপুর থানায়। এরপর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন। এদিকে, প্রৌঢ়ের পরিবারের ক্ষুব্ধ সদস্যরা নাবালিকা এবং তাঁর আত্মীয়র বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। (আরও পড়ুন: মতু🃏য়াদের পুণ্যস্নান আজ, তার আগে 'বোধদয়', বারুণী মেলায় মমতাবা📖লর সঙ্গেই শান্তনু)
আরও পড়ুন: 'আরজি কর🐼ে গণধর্ষণ হয়েছিল কি… 🍌তদন্তে গাফিলতি ছিল কি…', বড় মন্তব্য BJP নেত্রী
কী ঘটেছিল?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোয়ার মহারাষ্ট্রের একটি সংস্থায় কাজ করতেন। গতমাসে তিনি ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। তখনই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয় বলে দাবি পরিবারের। অভিযোগ, নাবালিকার পরিবার মনোয়ারের কাছে টাকা চেয়েছিল। কিন্তু, টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলেন মনোয়ার। তখন নাবালিকার পরিবার তাঁকে ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছিল। তারমধ্যে পরে মহারাষ্ট্রে কর্মস্থলে ফিরে যান মনোয়ার। তবে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয় থানায়। বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৯ মার্চ মনোয়ার বাড়ি ফিরে আসেন। তখন থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। এই অবস্থায় কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের সদস্যরা। সেখানেই সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়। (আরও পড়ুন: দুর্গা মন্দিরে পাঁচ𒁏িল🍷 ভাঙার অভিযোগ, উত্তেজনা ছড়াল মেমারিতে)
ময়নাতদন্তের পর ♊তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, মহারাষ্ট্র থেকে বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই তিনি বিষ খেয়েছিলেন। এদিকে, মনোয়ারের দেহ বাড়িতে পৌঁছনোর পর ক্ষোভে ফেটে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা নাবালিকা এবং তাঁর দুই মাসির বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকল ও পুলিশ পৌঁছয়।
মনোয়ারের স্ত্রী পারভিন𒁃 তরফদার জানান, বিনা দোষেই তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। যারা এর জন্য দায়ী তাদের শাস্তি দিতে হবে। এ বিষয়ে রানাঘাট ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ মণ্ডল জানিয়েছেন, অভিযুক্ত নাবালিকার পরিবার রাত থেকেইꩲ এলাকাছাড়া। প্রসঙ্গত, পসকো আইনের অপব্যবহার নিয়ে বারবার সতর্ক করে থাকে আদালত। গাংনাপুরের এই ঘটনায় পসকো আইনের অপব্যবহার হয়েছে বলেই অভিযোগ পরিবারের।