নিখোঁজ হওয়ার ১ মাস পরে নদীর চরে উদ্ধার নাবালিকার দেহ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বসিরহাটে। নিহত নাবালিকার পোশাক দেখে তাঁকে শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা। নাবালিকার বাবার দাবি, মেয়েকে গুম করে আটকে রেখে অত্যাচꦅার করা হয়েছে। তার পর খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে নদীতে।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া থানা এলাকার বাজিতপুরে ইছামতীর চরে এক নাবালিকার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শু💎রু করলে জানা যায়, দেহটি বসিরহাট থানা এলাকার সংগ্রামপুরের বাসিন্দা এক নাবালিক🦂ার। গত ১ মার্চ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিল নাবালিকা। বসিরহাট থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন তারা বাবা। পুলিশ নাবালিকার খোঁজে তদন্ত চালালেও কোনও লাভ হয়নি। নাবালিকার খোঁজ পায়নি পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার মেয়ের পোশাক দেখে তাকে শনাক্ত করেন বাবা।
নিহত নাবালিকার বাবার দাবি, আমাꦺর মেয়েকে কেউ অপহরণ করে আটকে রেখেছিল। আটকে রেখে তার ওপর অত্যাচার চালানো হয়েছে। দিন দশেক আগে তাকে খুন করে হয় নদীতে ফেলে দিয়েছে নয় তো চরে পুঁতে দিয়েছে।
এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবিতে মঙ্গলবার বসিরহাট থানায় বিক্ষোভ দেখায় এসএফআই। দেহ উদ্ধারের পর নতুন করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। কী ভাবে সংগ্রামপুর🧸 থেকে নাবালিকার🐎 দেহ বাজিতপুরে পৌঁছল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।