কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেই এসএসসি-র ২০১৬ সালের প্রায় সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি হারিয়েছেন সব মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজার চাকরিপ্রাপক (২৫ হাজার ৭৫২ জন মতান্তরে ২৫ হ𒉰াজার ৭৫৩ জন)! চাকরি যাঁদের থাকছে, তাঁদের মধ্যে অন্য়তম হলেন ক্যান্সার আক্রান্ত সোমা ঘোষ। যিনি অনেক আগেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এবং তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়ের রায়ে নিজের চাকরি ফেরত পেয়েছিলেন।
এছাড়াও, যাঁরা অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালে এসএসসি-র প্যানেলের মাধ্যমে স্কুলের চাকরিতে যোগদান করেছিলেন, তাঁরা চাইলে পুরোনো কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন। অর্থাৎ, তাঁদের চাকরি হারাতে হবে ন♕া। কিন্তু, এর বাইরে আর কারও চাকরি থাকল না।
তবে, ২০১৬ সালের প্যানেলভুক্ত সকলেই যে অনিয়ম করে চাকরি পেয়েছিলেন, তౠা তো নয়। তাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ হল - যেহেতু এখানে কে যোগ্য আর কে অয্য়োগ্য, সেটা নির্ণয় করা সম্ভব নয়, তাই সকলকেই আরও একবার চাকরি পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু, সেটা ন্য়ায্য পথেই পেতে হবে। সেটা কী?
আজকের (বৃহস্পতিবার - ৩ এপ্রিল, ২০২৫) রায়ে শীর্ষ আদাল❀ত জানিয়ে দিয়েছে, আগামী তিনমাসဣের মধ্যে শুধুমাত্র এসএসসি-র ২০১৬ সালের প্যানেলভুক্তদের জন্য় ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রথম থেকে শুরু করা হবে। অর্থাৎ - তাঁদের ফের পরীক্ষা দিতে হবে। তাতে পাশ করতে হবে। তার ভিত্তিতে ইন্টারভিউ হবে। তারপর ফের প্যানেল তৈরি হবে এবং চাকরি হবে।
যদিও এখনও পর্যন্তꦛ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সম্পূর্ণ কপি সংবাদমাধ্যমের হাতে আসেনি। তাই এই নির্দেশের খুঁটিনাটি আপাতত জানা যায়নি। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্যাবলী প্রকাশ্যে আসার পর ২০১৬ সালের প্যানেলভুক্ত চাকরিপ্রার্থীরা এই বিষয়ে কী বলছেন? যাঁদের চাকরি আপাতত আর নেই।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁরা যে জবাব দিয়েছেন, তাতে নানা মতামত উঠে এসেছে। যেমন - কেউ কেউ বলছেন, শীর্ꦉষ আদালত যদি তাঁদের ফের পরীক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তাহলে তাঁরা সেটাই করবেন। এক্ষেত্রে তিনমাসের মধ্যেই তাঁদের যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। তাঁরা বলছেন, এটা তাঁরা করতে বাধ্য হবেন। অন্যথায় রুজিরুটি বাঁচানো দায় হবে।
কিন্তু, এর ভিন্ন মতও রয়েছে। যেমন চাকরিপ্রার্থীদের কেউ কেউ বলছেন, তাঁরা তাঁদের পড়াশোনা শেষ করেছেন তারপর প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। তারপর তাঁরা চাকরি পেয়েছেন। এখন 💎যদি তাঁদের ফের পরীক্ষা দিয়ে সেই একই চাকরি পেতে হয়, তাহলে সেটা তো অবশ্যই সমস্য়ার। কারণ, মাত্র তিনমাসের মধ্যে ফের এসএসসি-র জন্য প্রস্তুতি নেওয়♚া সহজ কথা নয়।