বিচারপতির বাসভবন থেকে নগদ টাকা উদ্ধারের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়দানের পরে সেই ঘটনার উত্থাপন করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ‘একটা আমার কোয়েশ্চেন আছে। ইট ইজ মাই পার্সোনাল কোয়েশ্চেন (আমার নিজের প্রশ্ন আছে)। আই অ্যাম নট অ্যাটাকিং এনিবডি (আমি কাউকে আক্রমণ করছি না)। একজন জাজের বাড়ি থেকে...কর্মরত...এঁরাও কর্মরত..তাঁদের একসঙ্গে মিলিয়ে দিচ্ছি। আমি মে ﷽বি রং (আমিও ভুল হতে পারে)। ইট মে বি মাই মিসটেক (আমার ভুল হতে পারে)। কিন্তু আমার মনে যেটা এসেছে, সেটা বলছি। একজন বিচারকের বাড়ি থেকে যদি কোটি-কোটি টাকা পাওয়া যায়...১৫ কোটি সম্ভবত...যেটা জানতে পেরেছি এখনও পর্যন্ত....তাঁর🍒 শাস্তি যদি শুধু ট্রান্সফার হয়, তাহলে আমার এই ২৫,০০০ ভাই-বোন…তাদেরও ট্রান্সফার করতে পারত। লেট দ্য গুড সেন্স প্রিভেলস।’
নগদ উদ্ধারের সঙ্গে বদলির কোনও সম্পর্ক নেই, জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট
মুখ্যমন্ত্রী কারও নাম না করলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, গত মাসে এক বিচারপতির বাসভবন থেকে নগদ উদ্ধারের যে অভিযোগ উঠেছে, সেটার কথাই বলেছেন মমতা। যদিও সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, ওই বিচারপতিকে যে বদলি করা হয়েছে, সেটার সঙ্গে তাঁর বাসভবনে ꦯযে ঘটনা ঘটেছে, তার কোনও সম্পর্ক নেই।
গত ১৪ মার্চ রাতে ওই বিচারপতির বাসভবন থেকে ꦇনগদ উদ্ধারের অভিযোগ উঠেছিল। সেইসময় বাড়িতে ছিলেনඣ না বিচারপতি। অভিযোগ ওঠে যে তাঁর বাসভবনে আগুন লাগার খবর পেয়ে গিয়েছিল দমকল। সেইসময় নগদ উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের পরে বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে সুপ্রিম কোর্ট। এমনকী দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি যে রিপোর্ট দাখিল করেন, সেই রিপোর্টের সঙ্গে ভিডিয়ো এবং ছবিও প্রকাশ করা হয়।
এলাহাবাদ হাইকোর্টে ওই বিচারপতির শপথ নিয়ে পিটিশন
তারইমধ্যে ওই বিচারপতিকে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বদলি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি যাতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে শপথগ্রহণ করতে না পারেন, সেজন্য পিটিশন দাখিল করেছেন এক আইনজীবী। তিনি দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট বꦇিচারপতির বদলির নির্দেশ এবং প্রস্তাবিত শপথগ্রহণের বিষ🌼য়টি লঙ্ঘন করছে সংবিধানকে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না নির্দেশ দিয়েছেন যে ওই বিচারপতিকে যেন কোনও বিচারবিভাগীয় কাজ করতে না দেওয়া হয়।
SSC মামলায় চাকরি হারালেন প্রায় ২৬,০০০ জন
আর তারইমধ্যে আজ এসএসসি মাܫমলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে সেই বিচারপতির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মমতা। যে মামলার রায়ে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বজায় রেখেছে শীর্ষ আদালত। বাতিল করে দেওয়া হয়েছে ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার প🥃ুরো প্যানেল। আর তার জেরে চাকরিচ্যুত হয়ে গিয়েছেন ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী।