বাংলার ক্রিকেটারের সংখ্যা ভারতীয় দলে নেই, আইপিএলেও হাতে গোনা ২-১ জন। ওই অভিষেক পোড়েলেন মতো কয়েকজন ব্যক্তিগত কಞরিশমায় আইপিএলে গতবার নজর কেড়েছেন। বাকি যে সব বাংলা দলের সদস্যরা আইপিএলে মাঠ দাপিয়ে বেড়ান, তাঁদের অধিকাংশই সব ভিনরাজ্যের। যেমন আকাশদীপ, শাহবাজ আহমেদ, মহম্মদ শামিরা।
ফলে বাংলার ক্রিকেটারের সংখ্যা আইপিএল এবং ভারতীয় সার্কিটে কমেই চলেছে। অবশ্য আম্পায়ারিংয়ে কিন্তু পিছিয়ে নেই বঙ্গতনয়রা। এবারই আইপিএলে নিজের করিশমা দে๊খানোর সুযোগ পেয়েছিলেন চন্দননগরের ছেলে অভিজিত ভট্টাচার্য। নিজের কেরিয়ারে বহু ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচে আম্পায়ারিং করলেও আইপিএলের ম্যাচের চাপ অন্যরকম হয়।
কারণ এখানে প্রচুর দর্শক যেমন মাঠে উপস্থিত থাকে, তাঁরা সব সময়ই গর্জন করতে থাকেন প্রিয় দলের জন্য। সঙ্গে টানা বাজতে থাকে ডিজে বক্সও। এরই মধ্যে অবশ্য লখনউ সুপার জায়ান্ট বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুরন্ত আম্পায়ারিং কর🌠লেন বাংলার ছেলে অভিজিত, যা দেখে কার্যত তাজ্জব বনে গেলেন খোদ লখনউ অধিনায়ক ঋষভ পন্তও।
শার্দুল ঠাকুর নিজের দ্বিতীয় ওভারে দুটি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। এর মধ্যে অভিষেক শর্মা ফাইন লেগে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন। এরপর ইশান কিষান ক্রিজে এসেই লেগ সাইডের বলে শট খেলতে চেষ্টা করেন, তবে তা উইকেটকিপারের হাতে চলে যায়। একঝলক দেখেܫ পিছন থেকে পন্তও বুঝতে পারেননি বলের সঙ্গে ব্যাটের একটি স্পর্শ হয়েছিল।
যদিও বোলার শার্দুল ঠাকুর সামনে থেকে ব্যাটের সঙ্গে বলের স্পর্শের বল টার্ন দেখেই আবেদ𓄧ন করেন আউটের। ঋষভ পন্ত কিন্তু অধিনায়ক হলেও তিনি আউটের আবেদন করেননি। কিন্তু বাংলার আম্পায়ার অভিজিত এখানেই নিজের দুর্দান্ত আম্পায়ারিংয়ের ছাপ রাখেন। কোনও রিভিউ বা ফিল্ড আম্পায়ারের সঙ্গে বিবেচনা করা নয়। নিজের আম্পায়ারিং দক্ষতার ওপর ভরসা রেখে তিনি সোজা আউট দেন, যা দেখে ইশান কিষানও হাঁটতে শুরু করেন সাজঘরের দিকে।