♉ কী ভাবে সুযোগ নষ্ট করতে হয়, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছ থেকে শেখা উচিত! আর কী ভাবে জীবনদান পেলে, সেটাকে পুঁজি করা যায়, তা মিচেল মার্শের কাছ থেকে শেখা উচিত!
🅷আইপিএল ২০২৫-এ লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যে ম্যাচে এমন দৃশ্যই দেখা গিয়েছে। ম্যাচের প্রথম ওভারেই মিচেল মার্শকে আউট করার পরেও, আবেদনই করল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। যার খেসারত মুম্বইকে দিতে হল, মিচেল মার্শের হাতে মার খেয়ে। এরপর একানা স্টেডিয়ামে ঝড় তোলেন মার্শ। ৩১ বলে ৬০ করে শেষমেশ আউট হন তিনি।
ঘটনাটা কী?
ไশুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে লখনউ সুপার জায়ান্টস। তারা আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করে। তাদের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার মিচেল মার্শ বিস্ফোরক ব্যাটিং করে দলের হয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন। এবং পাওয়ার প্লেতেই দলকে ৬৯ রানে নিয়ে যান। তবে মুম্বইয়ের খেলোয়াড়রা প্রথম ওভারেই ফেরাতে পারতেন মার্শকে। শুধুমাত্র নিজেদের ভুলে কপাল পোড়ান তাঁরা।
🀅প্রতিবারের মতো এবারও মুম্বইয়ের হয়ে প্রথম ওভারটি করতে এসেছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট। ওভারের তৃতীয় বলে দুর্দান্ত চার হাঁকিয়ে খাতা খোলেন মার্শ। এর পরের বলে অর্থাৎ ওভারের চতুর্থ বলে মার্শ ড্রাইভ মারার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন এবং বল চলে যায় সোজা উইকেটরক্ষকের হাতে। আর চতুর্থ বলটি মিচেশ মার্শের একেবারে ব্যাটের কানার লেগে ক্যাচ ওঠে। আর সেই ক্যাচ ধরেও ফেলেন মুম্বইয়ের কিপার রায়ান রিকেলটন। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্লেয়াররা বুঝতেই পারেননি, মার্শের ব্যাটে লেগে বলটি ক্যাচ হয়েছে।
🎃তাঁদের ভুল ভাঙে দ্বিতীয় ওভারে। যখন দ্বিতীয় ওভারের সময়ে, স্টেডিয়ামে লাগানো বড় স্ক্রিনে এই বলের রিপ্লে দেখানো হয়, তখন আল্ট্রা এজে স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল যে, বলটি মার্শের ব্যাটের কানায় লেগেছে। কিন্তু মুম্বাইয়ের খেলোয়াড়রা আবেদনই করেননি। ফলে জীবনদান পেয়ে তান্ডব চালান মার্শ। সেটা পরে দেখে আফসোস করতে দেখা যায় বোল্ড আর হার্দিককে।
জীবনদান পেয়ে মার্শের তান্ডব
♋মার্শের জন্য এটি জীবনদান ছিল। এবং এর পরেই বিস্ফোরক হয়ে ওঠেন তিনি। ভালো ভাবে সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন। পরের ২৭ বলে ৫৬ রান করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে কাঁপিয়ে দেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। মার্শ এই মরশুমে তাঁর তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাত্র ২৭ বলে। এরপর ৩১তম বলে আউট হওয়ার আগে ৬০ রান করে দলের হয়ে শক্তিশালী সূচনা করেন। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৯টি চার এবং ২টি ছক্কায়। সপ্তম ওভারে স্পিনার বিগনেশ পুতুর তাঁর উইকেট নেন, কিন্তু ততক্ষণে লখনউ ৭৬ রান করে ফেলেছে।