๊ বাংলাদেশের পালাবদলের পর এই প্রথম। ব্যাঙ্ককে মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বৈঠক সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানা যাচ্ছে, প্রথম সাক্ষাতেই সেদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকাকে ‘বাক্সংযম’-এরও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। আর একথা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। জানা যাচ্ছে, বিদেশমন্ত্রী জয় শঙ্করও এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
♛এদিকে মোদী-ইউনুস সাক্ষাৎ হতেই ফেসবুকের পাতায় লম্বা পোস্ট করেছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ঠিক কী লিখেছেন তিনি?
♍ফেসবুকের পাতায় ইউনুসকে কিছুটা কটাক্ষের সুরে তসলিমা লেখেন, ‘শুনেছি ইউনুস সাহেব কোনও পদ পেলে সেটা আর ছাড়েন না। গ্রামীন ব্যাংকের পদও ছাড়তে চাননি। এই প্রধান উপদেষ্টার পদও ছাড়তে মোটেও আগ্রহী নন। তাঁর শিষ্যরা চেষ্টা করছে তাঁর ইচ্ছেপূরণ করার। নির্বাচন হওয়ার পরও তিনি এই পদটিতে ঠায় বসে থাকতে চাইছেন। তাঁর উপদেশ কারও কাজে লাগুক বা না লাগুক। এই শর্তে রাজি হলে তিনি নির্বাচন ঘোষণা করবেন, তা না হলে স্ট্যাটাস কুয়ো, যেভাবে আছে, সেভাবে থাকবে।’
🌠লেখিকা আরও লেখেন, ‘না দেশ চালাতে পারেন, না সন্ত্রাস বন্ধ করতে পারেন, না দেশের প্রতি ভালবাসা বা দেশের কারও প্রতি কোনও সহানুভূতি আছে। নিজের বশংবদ ভৃত্য বা কিছু শিষ্য ছাড়া আর কাউকে তিনি থোড়াই কেয়ার করেন। এখন এদের ওপর তাঁর ইচ্ছে পূরণ করার দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি চাইছেন মৃত্যুর সময় রাষ্ট্রীয় সম্মান পান। সাধারণ খাদির কাপড় পরলেও নিজের জন্য চিন্তাভাবনাগুলো কিন্তু রয়্যাল।’
💖আরও পড়ুন-বাচ্চাকে খাওয়ানো নিয়ে বচসা, গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে কী বলছেন পরীমনি? ঠিক কী ঘটেছিল?
꧟সবশেষে প্রশ্নে সুরে তসলিমা লেখেন, ‘নোবেল ছাড়া আর কী আছে তাঁর? এই নোবেলের জোরে যত মামলা মোকদ্দমা তাঁর বিরুদ্ধে ছিল, সব খারিজ করিয়ে নিয়েছেন। এই নোবেলের জোরে সেভেন সিস্টার দখল করতে চান যে দেশের, সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করার ব্যবস্থা করেছেন। পৃথিবীতে আর কোনও শান্তির নোবেল কাউকে এত সুবিধে দেয়নি, যত দিয়েছে ইউনুস সাহেবকে।’
💯তসলিমার এই পোস্টের নিচে বহু ভারতীয় নেটিজেনই লেখিকাকে সমর্থন করেছেন। তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার বিভিন্ন বিষয়ে ইউনুস সরকারকে তুলোধনা করতে ছাড়েননি লেখিকা। এমনকি অতি সম্প্রতি ‘চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মুক্তির দাবিতেও সরব হয়েছিলেন তসলিমা।