Mushroom Farming Tips:🍰 মাশরুম একদিকে যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই বিভিন্ন রান্নার স্বাদও বাড়িয়ে দেয়। ঘরের ছাদে বা বাগানে মাশরুম চাষের পদ্ধতি খুব একটা কঠিন। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই পদ্ধতি।
মাশরুম চাষের উপকরণ
𝓀ঘরের ছাদে বা বাগানে মাশরুম চাষের প্রধানত তিনটি উপকরণ দরকার। এগুলো হল স্পন বা মাশরুমের বীজ, খড় ও পলিথিনের ব্যাগ।
আরও পড়ুন - 📖Lal Shak Farming: গরম বাড়িতেই টবে লাগান লাল শাক, যেমন স্বাদ, তেমনই পুষ্টিগুণ! রইল চাষের নিয়ম
কীভাবে মাশরুম চাষ করবেন?
🦩মাশরুম চাষের জন্য প্রথমে আধ থেকে এক ইঞ্চি মাপে খড় কেটে নিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে ফুটন্ত গরম জলে ২০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। অথবা এর বদলে ব্লিচিং পাউডার ও চুন মেশানো পরিষ্কার জলেও ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এবার ফোটানো বা ভেজানোর পর জল ঝরিয়ে নিতে হবে। এমনভাবে ঝরিয়ে নেবেন, যাতে হাত দিয়ে খড় চেপে ধরলে জল না পড়ে, কিন্তু হাতে একটা ভেজা ভাব থাকে। এবারে একটি পলিব্যাগের মধ্যে এই খড় দুই ইঞ্চি পুরু করে বিছিয়ে দিন। এবার ব্যাগের ধার ঘেঁষে ছড়িয়ে দিতে হবে মাশরুমের বীজ।
ღএই বীজের উপরে আবার খড় দিন। তারপর খড়ের উপর ফের বীজ দিতে হবে। এইভাবে মোট সাত-আটটা স্তর তৈরি করে পলিব্যাগের মুখ ভালো করে পেঁচিয়ে বন্ধ করে দিন। খড় বিছানোর সময় প্রতিবার হাত দিয়ে ভালো করে চেপে দিতে হবে যাতে ভিতর হাওয়া জমে না থাকে।
আরও পড়ুন - 𝓡Makhana Farming: বাগানেই চাষ করুন মাখনা, ফলন হবে সেরা! জানুন ছোট জায়গায় চাষের কায়দা
কম আলোয় রাখুন
♓মুখ বন্ধ প্যাকেটে দশ থেকে বারোটা ছোট ছোট ছিদ্র করে তুলো দিয়ে ছিদ্রের মুখ বন্ধ করে দিন। এতে স্বাভাবিক হাওয়া চলাচল করতে পারবে। আবার তুলো থাকায় ধুলোও ঢুকতে পারবে না প্যাকেটে। সাত থেকে দশ দিনের জন্য এই প্যাকেট কোনও অন্ধকার জায়গায় রেখে দিতে হবে।
পোকামাকড় থেকে বাঁচিয়ে রাখুন
♛অন্ধকার জায়গাতেও যাতে হাওয়া চলাচল করে, সেটা খেয়াল রাখতে হবে। জায়গাটি নিয়মিত পরিষ্কার ও পোকা-মাকড়মুক্ত রাখতে হবে। মাছি মাশরুম চাষের ক্ষতি করে। তাই সেদিকেও নজর রাখুন। কিছু দিন পরেই প্যাকেটের মধ্যে বীজের স্থানে সাদা আস্তরণ দেখা দেবে। একে মাইসেলিয়াম বলে। পুরো ব্যাগটাই ধীরে ধীরে মাইসেলিয়ামে ভরে গেলে তুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। ব্যাগে আরও কয়েকটি ছিদ্র করে এবার কিছুটা আলোর মধ্যে রেখে দিতে হবে।
এক মাসের মাথায় ফসল
🔴ঘরে যেটুকু আলো ঢোকে, তার মধ্যেই রাখুন ব্যাগটিকে। প্রয়োজন বুঝে ব্যাগের উপর জল স্প্রে করতে হবে। কিছু দিন পরেই মাশরুমের পিনহেড উঁকি দেবে ছিদ্রের মধ্যে দিয়ে। এক মাসের মাথায় খাওয়ার উপযোগী হয়ে উঠবে মাশরুম।