সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ দাবি করেছিলেন, সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান নাকি মহম্মদ ইউনুসকে মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে চাননি। এদিকে বিগত বেশ কয়েক মাস ধরেই আবার বাংলাদেশ সেনায় অভ্যুত্থানের জল্পনাও চলছে। এই আবহে জাতীয় নাগরিক পার্টি নেতা তথা হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম 'মুখ' সারজিস আলম মুখ খুললেন। সেনা প্রধানকে কি সরানো হবে? এই নিয়ে দিলেন অকপট জবাব। (আরও পড়ুন: 𒁃'নগ্ন... নোংরা...', বাংলাদেশ সেনাকে নিয়ে বোমা ফাটালেন 'বিপ্লবী' NCP নেতা)
আরও পড়ুন: 𒈔মোদী-ইউনুস বৈঠক নিয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ নিয়ে কী ভাবছে ভারত, জানালেন জয়শংকর
২২ মার্চ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সারজিস বলেন, 'সেনাবাহিনীর প্রধানকে সরানোর কোনও প্রশ্ন কখনও আসেনি। বরং এ নিয়ে এখন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ অবস্থা (সেনা প্রধানকে সরানোর মতো অবস্থা) যেন নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তৈরি না হয়, সেটি আমরা প্রত্যাশা করি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর যে শ্রদ্ধার জায়গা, আমরা মনে করি সবসময় ছিল, আছে এবং আগামীতেও থাকবে। আমরা মনে করি যে, সেনাবাহিনী এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠানের ওপর আমাদের সবার আস্থা এবং শ্রদ্ধাবোধ আছে। আমরা এটা হারাতে চাই না। জাতীয় নাগরিক পার্টির জায়গা থেকে, আমার ব্যক্তিগত জায়গা থেকেও যদি বলি, তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধটি ছিল এবং আমরা এটা রাখতে চাই।' (আরও পড়ুন: ♈আওয়ামি লিগ নিয়ে সেনার গোপন বৈঠকের কথা সামনে, হাসনাতের পাশে নেই তাঁরই দল?)
꧅গত ৫ অগস্ট বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বেশ কয়েকদিন দেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল সেনার হাতে। তবে সামরিক শাসন তারা জারি করতে চায়নি। বরং একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথেই ফেরাতে চেয়েছিলেন সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। এহেন ওয়াকারের বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। তিনি দাবি করেন, মহম্মদ ইউনুসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করায় আপত্তি ছিল সেনা প্রধানের। একটি ভিডিয়ো বার্তায় আসিফ বলেছিলেন, 'সেনাপ্রধানের দিক থেকে মূল ভেটো ছিল। তিনি বলেছিলেন, মহম্মদ ইউনুস কেন? অন্য কেউ কেন নয়? ইউনুসের নামে মামলা আছে। তিনি একজন কনভিক্টেড ব্যক্তি। কনভিক্টেড ব্যক্তি কীভাবে একটা দেশের প্রধান উপদেষ্টা হতে পারেন?'
♛আসিফ দাবি করেছিলেন, সেনা প্রধান নাকি আরও বলেছিলেন, 'আওয়ামি লিগ একটা লোককে একেবারেই দেখতে পারছে না এবং বাংলাদেশে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ লোক আওয়ামি লিগকে সমর্থন করে। এই ৩০-৪০ শতাংশের মানুষের মতামতের বিরুদ্ধে গিয়ে কি একটা লোককে প্রধান উপদেষ্টা করা উচিত?' আসিফের এই ভিডিয়ো বার্তা হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছিলেন।