নির্বাচনী আধিকারিক নিয়োগ সংক্রান্ত সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানির আগেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জ্ঞানেশ কুমার। আজ, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার হিসেবে কার্যকালের মেয়াদ শুরু হল জ্ঞানেশ কুমারের। দায়িত্ব গ্রহণের পরে দেশবাসীর উদ্দেশে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বললেন, 'জাতি গঠনের প্রথম ধাপ হল ভোট। এই আবহে ভারতের প্রতি নাগরিক, যিনি ১৮ বছর বয়স পূর্ণ করেছেন, তাঁদের ভোটার হওয়া উচিত এবং সর্বদা ভোট দেওয়া উচিত। ভারতের সংবিধান, নির্বাচনী আইন, বিধি ও নির্দেশনা অনুযায়ী ভারতের নির্বাচন কমিশন ভোটারদের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে।' (আরও পড়ুন: ꦫজারি কারফু-নিষেধাজ্ঞা, বাংলাদেশি পাচারকারীদের ভাতে মারতে কড়া পদক্ষেপ সীমান্তে)
আরও পড়ুন: 🌊ইউনুসের বাংলাদেশকে কি অস্ত্র সরবরাহ করবে বেজিং? বড় দাবি চিনা রাষ্ট্রদূতের
এর আগে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছিল, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বাছাইয়ের প্যানেলে থাকবেন প্রধান বিচারপতিও। তবে পরবর্তীতে একটি আইন এনে সেই নির্দেশ বদলে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সংশোধিত আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্যানেল বাছাই করবে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের। সেই সংশোধনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ ফেব্রুয়ারি শুনানি হওয়ার কথা। সেই শুনানি হওয়ার আগেই অবশ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জ্ঞানেশ। (আরও পড়ুন: 🎉গুজরাটের পুরভোটে বিজেপিকে চমকে দিল সমাজবাদী পার্টি, মোদী বললেন...)
আরও পড়ুন: 💮আদানির বিরুদ্ধে তদন্তে ভারতের সাহায্য চাইল মার্কিন সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
এদিকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে ২০২৯ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব সামলাবেন জ্ঞানেশ কুমার। এই আবহে আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ, অসমের বিধানসভা নির্বাচন করানোর দায়িত্ব থাকবে তাঁরই কাঁধে। অবশ্য, তাঁর প্রথম পরীক্ষা হবে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে। জ্ঞানেশ ১৯৮৮ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের আইএএস অফিসার। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি কানপুর থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক ডিগ্রি লাভ করেছিলেন জ্ঞানেশ। তারপর বিজনেস ফিনান্স নিয়েও পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। (আরও পড়ুন: 🌜মহারাষ্ট্রের ISIS জঙ্গি লুকিয়ে লিবিয়ায়, জারি ইন্টারপোল রেড নোটিশ)
আরও পড়ুন: 𓄧বিশ্ব নাটেলা দিবসের ১০ দিনের মাথায় প্রয়াত ‘নাটেলার জনক’ ফ্রান্সেসকো রিভেলা
🦩এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে কাজ করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্মসচিবের (কাশ্মীর ডিভিশন) দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদের যে ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সেটার খসড়া তৈরির ক্ষেত্রে জ্ঞানেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার সাথেও জড়িত ছিলেন জ্ঞানেশ কুমার। তার আগে আগে এর্নাকুলামের অ্যাসিসট্যান্ট কালেক্টর, আদুরের সাব-কালেক্টর, তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিদের জন্য কেরল রাজ্য উন্নয়ন পর্ষদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, কোচিন পুরনিগমের পুর কমিশনারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলেছিলেন। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের যুগ্মসচিব ছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্মসচিব এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও কাজ করেছেন। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রকের সচিবও ছিলেন।