৪ সন্তানকে গলা কেটে খুন করে বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের শাজাহানপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। (আরও পড়ুন: দামী পাক চাল খেয়ে বদহজম? ভারত থেকে ৫০০০০ টন চাল কিনবে বাংলাদে🌄শ, দাম পড়বে ক♏ত?)
শাজাহানপুরের পুলিশ সুপার রাজেশ দ্বিবেদী জানিয়েছেন, রোজা থানার মানপুর চাচরি গ্রামের বাসিন্দা রাজীব কাঠেরিয়ার সঙ্গে তাঁর স্ত্রী কান্তি দেবীর দাম্পত্য কলহ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল। পারিবারিক অশান্তির কারণে কান্তি দেবী বুধবার রাগ করে বাপের বাড়িতে চলে যান। কিন্তু তাদের ১৩ বছরের মেয়ে স্মৃতি, ৯ বছরের মেয়ে কীর্তি, ৭ বছরের মেয়ে প্রগতি এবং ৫ বছরের ছেলে ঋষভ রাজীবের কাছেই ছিলেন। রাতে চার সন্তানকে নিয়ে একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন রাজীব। আর তার বাবা পৃথ্বীরাজ কাঠেরিয়া বাড়ির বাইরে ঘুমাচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে নাতিকে চা খেতে ডাকতে রাজীবের দরজায় কড়া নাড়েন তিনি। দীর্ঘক্ষণ কড়া নাড়ার পরেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া শব্দ পাননি। এরপরেই জানলা দিয়ে ঘরের ভিতরে উঁকি দিয়ে চমকে ওঠেন রাজীবের বাবা। রক্তাক্ত আবস্থায় নাতি-নাতনিদের মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পাশাপাশি স্ত্রীর শাড়িতে ফাঁস দিয়ে ছেলে রাজীবকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গেই চিৎকার করে প্রতিবেশীদের ডাকেন তিনি। ওই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে সবাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। (আরও পড়ুন: ‘রাজনৈতিক শূন্যতাকে কাজে 🍸লাগাচ্ছে ইসলামি শাসন প্রℱতিষ্ঠা করতে চাওয়া গোষ্ঠীগুলি’)
আরও পড়ুন: সংসদে মোদী! গেলেন, বসলেন, তাঁর নামে প্রশ🌄্ন উত্থাপিত হলেও জবাব দিলেন না...
খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘরের ভিতর থেকে রাজীব ও তাঁর সন্তানের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘরের ভিতর থেকে রক্তমাখা ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই অস্ত্র দিয়েই প্রথমে চার সন্তানকে নৃশংসভাবে খুন করার পরে স্ত্রীর শাড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন রাজীব। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।ইতিমধ্যেই রা🅠জীবের বাবা, পড়শিদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশꦡ।
আরও পড়ুন: বালোচ হুমকির মুখে পাকিস্তানে নিরাপত্তারক্ষী মোতায়🌠েন করল চিন, ꧟দাবি রিপোর্টে
প্রতিবেশীরা জানান, গত এক বছর ধরে রাজীব বেকার ছিলেন। একটি দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে মেজাজ হারিয়ে ফেলতেন। আর্থিক অনটনের কারণে স্ত্রীর সঙ্গ✤ে প্রায়শই ঝগড়া করত। আগে শ্রমিকের কাজ করতেন রাজীব। নিহতের বাবা পৃথ্বীরাজ জানান, পাঁচ ছেলের মধ্যে রাজীব ছিলেন সবার বড়। মেজ ও সেজ ভাই সঞ্জীব ও রাজন পাশের একটি বাড়িতে থাকেন। আরেক ভাই কুলদীপ শহরে কাজ করেন। ছোট ছেলে অঙ্কিত দেড় বছর আগে ব্রেন টিউমারে মারা𝓰 যান। রাজীবের মাও দুই বছর আগে মারা যান।