আইপিএলে এবার নতুন নিয়ম চালু করেছে বিসিসিআই। দ্বিতীয় ইনিংসে যে দল বল করবে, তারা দু'টি নতুন বল ব্যবহার করতে পারবে। একটি ইনিংস শুরুর সময়ে। একটি ১১তম ওভারের পর। তবে ১১তম ওভারের পর কখন নতুন বল নেওয়া যাবে, সেটা ঠিক করবে ফিল্ডিং করা দল। শিশিরের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবারের আগে আইপিএলের পাঁচটি ম্যাচ হলেও, তাতে দ্বিতীয় ইনিংসে ফিল্ডিং করা কোনও দলই দ্বিতীয় বলের ব্যবহার করেনি। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম বার দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিত༒ীয় বলের ব্য়বহার হল ২০২৫ মরশুমের ষষ্ঠ ম্যাচে।
আইপিএলে ইতিহাসে, প্রথম বার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যবহৃত হল নতুন বল
এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং রাজস্থান রয়্যালস। গুয়াহাটিতে রাজস্থান এদিন হোম ম্যাচ খেলেন। ট💝স জিতে কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান রয়্যালসকে। কারণ তিনি জানতেন, গুয়াহাটির মাঠে শিশির পড়ে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালস ৯ উইকেটে ১৫১ রান করে। সেই রান তাড়া করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স সহজেই জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। ১৬ ওভারে ২ উইকেটে ১২৫ রান করে ফেলেছিল নাইটরা। জয়ের জন্য ২৪ বল🌺ে আর ২৭ রান দরকার ছিল। হাতে ছিল ৮ উইকেট। সেই সময়ে কিছু অঘটন যদি ঘটানো যায়, সেই ভাবনা থেকেই নতুন বল নেয় রাজস্থান। তবে, নতুন বল নেওয়ার ক্ষেত্রে আম্পায়াররাই সিদ্ধান্ত নেবেন বক্স থেকে কোন বলটি নিতে হবে! যাইহোক নতুন বল নিয়েও খুব বেশি লাভ হয়নি। কারণ নতুন বল নেওয়ার পর, আর ৯ ডেলিভারির মধ্যেই ম্যাচ জিতে যায় কেকেআর।
সহজ জয় কেকেআর-এর
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে রাজস্থানের ব্যাটিং চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ হয়। ইনিংসের শুরুতেই হতাশ করেন সঞ্জু স্যামসন। তিনি ওপেন করতে নেমে ১১ বলে ১৩ করেই সাজঘরে ফেরেন। এর পর দ্বিতীয় উইকেটে যশস্বী জয়সওয়াল এবং রিয়ান পরাগ কিছুটা হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন। কিন꧅্তু সেই জুটিও বেশীক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তাঁরা জুটিতে ৩৪ রান করার পরেই, আউট হয়ে যান রিয়ান। তিনটি ছয়ের হাত ধরে ১৫ বলে ২৫ করে কুইন্টন ডি'কককে ক্যাচ দেন। রিয়ানের পিছন পিছনই সাজঘরে ফেরেন যশস্বীও। ২টি করে চার এবং ছয়ের হাত ধরে ২৪ বলে ২৯ করেছিলেন তিনি। এর পর নির্দিষ্ট ব্যবধানে উইকেট হারাতে শুরু করে রাজস্থান। ছয়ে নেমে ধ্রুব জুরেল কিছুটা লড়াই করেছিলেন। ২৮ বলে ৩৩ রান করেন তিনি। নয়ে নেমে জোফ্রা আর্চার ২টি ছক্কার সৌজন্যে ৭ বলে ১৬ রান করেছিলেন। তবে নির্দಌিষ্ট ২০ ওভারে ৯ উইকেট ১৫১ রানের বেশি করতে পারেনি রাজস্থান।
আরও পড়ুন: দ্রাবিড়ের পথে হেঁটে ꦆসহকর্মীদের চেয়ে বেশি বোনাস নিতে অস্বীকার করবেন গৌতি? প্রশ্ন গাভাসকরের
জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা প্রত্যাশা মতো করতে পারেনি কেকেআর। তবু জয় পেতে সমস্যা হয়নি। সুনীল নারিনের অনুপস্থিতিতে কুইন্টন ডি'ককের সঙ্গে বুধবার ওপেন করতে নামেন মইন আলি। তবে ১২ বলে ৫ করে রান-আউট হয়ে যান মইন। এর পর তিনে ব্যাট করতে আসেন কেকেআর অধিনায়ক রাহানে। তিনিও ১৫ বলে ১৮ করে সাজঘরে ফেরেন। তবে হাল ধরে রাখেন ডি'কক। ৭০ রানে ২ উইকেট হারানোর পর, 𝐆তাঁর সঙ্গে জুটি বাঁধেন অংকৃশ রঘুবংশী। ডি'কক আর রঘুবংশী মিলেই দলকে পৌঁছে দেন জয়ের দরজায়। ডি'কক ৬১ বলে ৯৭ করে অপরাজিত থাকেন। ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৮টি চার এবং ৬টি ছক্কায়। অন্য দিকে, রঘুবংশী অপরাজিত থাকলেন ১৭ বলে ২২ রান করে। ১৫ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় নাইট রাইডার্স।