আন্দামানের সেলুলার জেলে বাঙাল⛦ি স্বাধীনতা সংগ্রামী উল্লাসকর দত্ত এবং বারীন ঘোষের (বারীন্দ্রকুমার ঘোষ) কোনও মূর্তি নেই বলে 🧸রাজ্যসভায় জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। সেই সঙ্গে আগামী দিনে সেখানে তাঁদের মূর্তি স্থাপনের কোনও পরিকল্পনা নেই বলেও কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। এই নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ‘বাংলা বিরোধী মনোভাব’ বলে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে বাংলাদ💖েশের সঙ্গে চুক্তি নয়, তিস্তা-ফরাক্কা নিয়ে সরব ঋতব্রত
তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রতের প্রশ্নের জবাবে রাজ্যসভায় এই তথ্য দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। এবিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সেলুলার জেলে থাকা বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিশেষ স্বীকৃতি নেই। কেন্দ্র সরকার বাঙালি বিপ্লবী উল্লাসকর দত্ত, বারীন ঘোষদের কী চোখে দেখে তা প্রমা🐻ণিত হল। আবারও বাংলা-বিরোধী মনোভাব।’ এছাড়াও, আন্দামানের সেলুলার জেলকে এতদিনে জাতীয় স্মারক বলে ঘোষণা না করা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল সংসদ। ঋতব্রত বলেন, ‘আন্দামান সেলুলার জেলের প্রতিটি ইট ও প্রতিটি কুঠুরিতে বাংলার বি๊প্লবীদের বীরত্বগাথা লেখা রয়েছে। তারপরেও কেন্দ্র একে জাতীয় স্মারক হিসেবে ঘোষণা করেনি।’
তৃণমূল সাংসদ এই বিষয়টিকে ‘বাংলার প্রতি চরম অপমান’ বলে অভিযোগ করেছেন। ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, নথিভুক্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে, ১৯০৮ সালে আলিপুর বোমা মামলায় এই দুই স্বাধীনতা সংগ্রামীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে তাঁদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দুজনকে সেলুলার জেলে পাঠানো হয়। সেলুলার জেলে তাঁদের ওপর নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে ঋতব্রত বলেন, ‘সবচেয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন উল্লাসকর দত্ত। সেই সময় পোর্ট ব্লেয়ারে বিদ্যুৎ ছিল না। কলকাতা থেকে ব্যাটারি এনে উল্লাসকর দত্তকে বছরের পর বছর বৈদ্যুতিক শক দিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছিল। ১৯১৫ সালে বারীন ঘোষ সেলুলার জেল থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন, যা তখন পর্যন্ত প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হত। পরে ধরা পড়ে যা𒊎ওয়ায় তাঁকে পাঁ🅰চ বছর নিঃসঙ্গ কারাবাসে রাখা হয়েছিল। ’