ඣ তৃণমূল নেতাকে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি। চাপ দিতে ইন্টারভিউ দেওয়ানোর নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে কোচবিহারের দিনহাটায়। অভিযোগ, ধর্ষণের পর ওই তরুণীকে মদ খেতে চাপ দেন আবদুল মান্নান নামে ওই তৃণমূল নেতা। মদ না খাওয়ায় তরুণীর মাথায় মদের বোতল ভাঙেন তিনি। ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের সামনে আত্মসমর্পণ করেছে। এই ঘটনায় তৃণমূল জমানায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
আরও পড়ুন - 🍒বোনাস বাড়ল রাজ্য সরকারি কর্মীদের! কত টাকা দেবে বাংলা? কারা কারা পাবেন? রইল সবটা
পড়তে থাকুন - ཧ‘২০০৯ সালে কেন তাঁর সাথে আর কাউকে বাঙালি কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রী হতে দেননি মমতা?’
আরও পড়ুন - ♋‘দলের থেকে জাত আগে’ মন্তব্যের জন্য শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কাছে ক্ষমা চাইলেন হুমায়ুন
🔴পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের তেঁতুলমুড়িতে তৃণমূলের পার্টি অফিসে মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে দিন কয়েক আগেই শোরগোল পড়েছিল রাজ্য জুড়ে। ওই ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে মঙ্গলবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ। তাও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর খাসতালুকে।
♌নির্যাতিতার অভিযোগ, প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরির জন্য বেশ কয়েক বছর আগে দিনহাটার ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আবদুল মান্নানকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। কিন্তু চাকরি পাননি তিনি। এর পর টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে সম্প্রতি আবদুল মান্নান তাঁকে জানান ইন্টারভিউর ব্যবস্থা হয়েছে। সোমবার তরুণীকে ইন্টারভিউ দেওয়ানোর নামে নিজের গাড়িতে তোলেন ওই তৃণমূল নেতা। এর পর তাঁকে নিয়ে যান একটি ফাঁকা বাড়িতে। অভিযোগ, সেখানে তরুণীকে ধর্ষণ করেন তৃণমূল নেতা আবদুল মান্নান। সঙ্গে তরুণীর নগ্ন ছবি ও ভিডিয়ো তুলে রাখেন তিনি। এর পর টাকা চাইলে ওই ছবি ইন্টারনেটা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তৃণমূল নেতা। অভিযোগ, এর পর তরুণীকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন তৃণমূল নেতা। তরুণী তা অস্বীকার করলে তাঁর মাথায় আবদুল মান্নান মদের বোতল ভাঙেন বলে অভিযোগ।
♏তৃণমূল নেতার অত্যাচারে তরুণী আর্তনাদ করে উঠলে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করেন। এর পর দিনহাটা থানায় আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন তরুণীর বাবা। অভিযোগ দায়েরের পর মঙ্গলবার পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ওই তৃণমূল নেতা। তাঁর দাবি, পারিবারিক বিবাদকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে।