পরবর্তী খবর
বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Egg Chicken Cooking Tips: চিকেন-ডিম রান্না করার সঠিক উপায় কী? এই টিপস ভুলবেন না
চিকেন খেতে ভালোই꧋ লাগে। ডিম সেদ্ধ করেও খান সকাল হলেই। কিন্তু জানেন, সঠিক নিয়মে রান্না না করলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যাবে। তা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি হবে না। তাই এবার থেকে রান্নার আগে সঠিক পদ্ধতিতে চিকেন ও ডিম রান্না করে দেখুন। স্বাদও বজায় থাকবে। পুষ্টিগুণেও পরিপ🦩ূর্ণ হবে আপনার রান্না।
আরও পড়ুন: (Weight Loss: সজনেপাতা গুঁড়ো ভেজানো জলেই রয়েছেওজন ক🌞মার চাবিকাঠি? উপকারের লম্বা লিস্ট রইল)
ডিমের পুষ্টিগুণ বজায় রেখে রান্না করবেন কীভাবে
- ডিম সিদ্ধ: মনে রাখবেন, ৪-৫ মিনিট ধরে ডিম সিদ্ধ করলে বেশিরভাগ পুষ্টি উপাদান ভিতরে থাকে। এর জন্য ঠান্ডা জলে ডিম রাখুন, এটাকে ফুটতে দিন, তারপর আঁচ কমিয়ে ৪-৫ মিনিট ধরে সিদ্ধ করুন। ডিম ঠান্ডা জলে রাখুন যাতে রান্না বন্ধ না হয়।
- ডিমের পোচিং: অল্প আঁচে জল গরম করুন, সামান্য ভিনেগার যোগ করুন, ডিম ভেঙে ফেলুন এবং ৩-৪ মিনিট (অথবা আরও শক্ত কুসুমের জন্য আরও বেশি সময় ধরে) রান্না করুন। পোচিং তৈরি হয়ে যাবে।
- স্ক্র্যাম্বলিং (কম আঁচে): কম আঁচে ডিম রান্না করলে পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। ডিম ফেটিয়ে কম আঁচে রান্না করুন, ঘন ঘন নাড়ুন। আপনি সামান্য মাখন বা জলপাই তেল যোগ করতে পারেন তবে অতিরিক্ত রান্না এড়িয়ে চলুন।
- স্টিমিং: ডিম সিদ্ধ করলে পুষ্টিগুণ নষ্ট না হয়ে রান্না হয়। ফুটন্ত জলের উপর একটি স্টিমারে ডিম রাখুন। শক্ত ডিমের জন্য ১০-১২ মিনিট অথবা নরম ডিমের জন্য ৫-৭ মিনিট ভাপ দিন।
- উচ্চ তাপে ডিম ভাজা এড়িয়ে চলুন: উচ্চ তাপে ভাজলে ডিমের পুষ্টিকর উপাদান নষ্ট করে এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি যোগ করতে পারে। ভাজা হলে, মাঝারি তাপে এবং জলপাই তেল বা অ্যাভোকাডো তেলের মতো স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করুন এবং আস্তে আস্তে রান্না করুন।
ডিম রান্নার জন্য অতিরিক্ত টিপস
- ডিম বেশি সেদ্ধ করবেন না। অতিরিক্ত সেদ্ধ হলে এগুলি শক্ত হয়ে উঠতে পারে এবং পুষ্টির পরিমাণ কমাতে পারে।
- অতিরিক্ত ক্যালোরি এড়াতে কম তেল ব্যবহার করুন।
- জলপাই তেলের মতো স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করুন।
মুরগির মাংসের পুষ্টিগুণ বজায় রেখে রান্না করবেন কীভাবে
- বেকিং বা রোস্টিং (কম/মাঝারি আঁচে): বেকিং বা রোস্টিং মুরগিকে রসালো এবং পুষ্টিতে পূর্ণ রাখে।
- গ্রিলিং (মাঝারি আঁচে): গ্রিলিং করলে চর্বি ঝরে যেতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত তেলের প্রয়োজন হয় না।
- স্টিমিং: স্টিমিং করলে মুরগি বেশি তাপ ছাড়াই আর্দ্র থাকে। ফুটন্ত জলের উপর একটি স্টিমারে মুরগির মাংস রাখুন। ২০-৩০ মিনিটের জন্য ভাপ দিন।
- ধীরে রান্না: ধীরে রান্না করলে মুরগির মাংস নরম এবং রসালো হয় এবং পুষ্টিগুণও সংরক্ষণ করা যায়। এর জন্য মুরগির মাংসের ঝোল এবং সবজি দিয়ে কুকারে ৬-৮ ঘন্টা কম আঁচে অথবা ৩-৪ ঘন্টা বেশি আঁচে রান্না করুন।
- ভাজা: অল্প তেল দিয়ে মুরগির মাংস ফ্রাই করতে পারেন। এর জন্য একটি প্যানে জলপাই তেল গরম করুন এবং মুরগির মাংস প্রতি পাশে ৫-৬ মিনিট রান্না করুন যতক্ষণ না এটি নরম হয়।
- ডিপ ফ্রাইং এড়িয়ে চলুন: ডিপ ফ্রাইং অস্বাস্থ্যকর চর্বি যোগ করে এবং পুষ্টি নষ্ট করে।
মুরগির মাংস রান্নার জন্য অতিরিক্ত টিপস
- মুরগির মাংস অতিরিক্ত রান্না করবেন না।
- স্বাদ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যোগ করার জন্য লেবু, জলপাই তেল, অথবা ভেষজ দিয়ে মুরগির মাংস ম্যারিনেট করুন।