আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দারাবাদের বিপক্ষে নিজেদের দুরন্ত ট্র্যাক রেকর্ড ধরে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই নিয়ে আইপিএলের ইতিহাসে তাঁরা ২০বার হারাল হায়দরা🧜বাদের এই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে তিনটি ম্যাচেই হেরে কার্যত খাদের কিনারায় গিয়ে দাঁড়াল নিজামের শহরের ফ্র্যাঞ্চাইজি। যাদেরকে আইপিএলের আগে বোলারꦅদের ত্রাস বলে মনে করা হচ্ছিল সেই হেড-অভিষেকরাই রয়েছেন চূড়ান্ত অফ ফর্মে।
কলকাতা নাইট রাইডার্স ১ ম্যাচ পরে অবশেষে জয়ে ফিরল। এবং এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় নাইটদের আপাতত জায়গা ♋হল পঞ্চম স্থানে। ৪ ম্যাচে থেকে তাঁদের পয়েন্ট সংখ্যা চার। যেহেতু বেশ কয়েকটা দল কম ম্যাচ খেলেছে তাই আপাতত তাঁরা পাঁচে রয়েছে, এদিনের ম্যাচে ধারাবাহিকতা যদি তাঁরা আগামী কয়েকটা ম্যাচে দেখাতে না পারেন, তাহ🍌লে আরও সমস্যা বাড়বে নাইটদের।
এই নিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে টানা পাঁচ ম্যাচে হ🔯ারাল কলকাতা নাইট রাইডার্স। গতবার আইপিএলের ফাইনালেও এই সানরাইজার্সকে হারিয়েই দশ বছর পর কাপ ঘরে তুলেছিল কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজি। এদিনের ম্যাচে অবশ্য জয়ের জন্য নিশ্চয় কৃতিত্ব প্রাপ্য অধিনায়ক রাহানের। হয়ত তাঁর ২৭ বলে ৩৮ রানের ইনিংসটা খুব বড় বা খুব চমক দেখানোর মতো ছিল না। কিন্তু যে সময় তিনি ব্যাট করতে এসেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত ইডেনের পিচ বুঝে তিনি যে ইনিংসটা খেলে সাজঘরে ফেরেন, তারপর কেকেআরের মিডল অর্ডার অনেকটাই অক্সিজেন পেয়েছিল, যা কাজে লাগায় বেঙ্কটেশ আইয়াররা।
আজকের ম্যাচের এই জয় নিঃসন্দেহে দলগত সংহতির জয়, তা বলাই বাহুল্য। কারণ বরুণ চক্রবর্তী যেমন স্পিনার হয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন, তেমন পেসার বৈভবও সানরাইজার্সের টপ অর্ডার ভেঙে দেন। আবার ব্য়াট হাতে রাহানের পর বেঙ্কটেশ আইয়ার, অংকৃষ রঘুবংশীরা অর্ধশতরান করে দলকে ভালো স্কোরে পৌঁছে দেন। রিঙ্কুও ১৭ বলে ৩⛎২ রানের ভালোই ইনিংস খেলেন।🅘
বেঙ্কি-রিঙ্কুকে প্রশংসায় ভাসালেন
ম্যাচ শেষে তাই রাহানে বলছেন, ‘এই ম্যাচটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, আর বড় রানে জয় দরকার ছিল, সেটাই পেয়েছি। আমরাও শুরুতে বোলিং চেয়েছিলাম, তবে প্রথম দুটো উইকেট হারানোর পর আর ৬ ওভারের মধ্যে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইনি। তাই🎐 ঠিকঠাক ক্রিকেটিং শটই খেলতে চেষ্টা করেছি। এরপর যখন দেখলাম আমাদের হাতে উইকেট রয়েছে, তখন পরের দিকের ব্যাটাররাও রান করার মতো পরিস্থিতি পেল। আজকে আমার দলের ব্যাটারদের পারফরমেন্সে আমি খুশি, শেষ দুই ম্যাচে তেমন ছন্দে ছিল না। আমরা ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি এবং আজকে এটা উদাহরণ রাখতে পেরেছি। বিশেষ করে 😼রিঙ্কু আর বেঙ্কটেশ দুর্দান্ত কিছু শট খেলতে পারে। ’।
স্পিনারদের প্রশংসায় রাহানে
ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়ের প্রশংসা করে রাহানে আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যাটিং ইউনিট আজ ভালো খেলেছে বলে রমনদীপকে নামতেই হয়নি, মইন আলিও তৈরি হয়ে বসেছিল। প্রথমদিকে ভেবেছিলাম ১৭ඣ০-১৮০ রান এই পিচে যথেষ্ট, কারণ স্লো বল গুলো আটকে যাচ্ছিল, তাই আমরা ১৫ ওভার পর্যন্ত আমাদের স♛াধারণ ক্রিকেট খেলেছি। আমাদের দলে তিনজন দুর্ধর্ষ স্পিনার রয়েছে, মইনকে তো বোলিংই করতে হয়নি। সুনীল নারিন আর বরুণ ভালো বোলিং করেছেন। হর্ষিত আর বৈভবও ভালো পারফরমেন্স দিয়েছেন বল হাতে ’।