মনোরঞ্জন ব্যাপারী।ꦫ একদিকে তিনি বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক। অন্যদিকে তিনি সাহিত্যিক। তাঁর সাহিত্যের কদর রয়েছে দেশে বিদেশে। লড়াই করে বড় হওয়া মানুষ। সাদাকে সাদা কালো কালো বলেন এমনটাই সচরাচর দেখা যায়। এবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে বৃহস্পতিবার রাতে সোশ্য়াল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, এই রাতে ঘুম আমার ঘুম আসবে না। ২৬ হাজার মানুষ। ছাব্বিশ হাজার পরিবার। তাদের ভবিষ্যৎ ভেবে শিউরে উঠছি। লিখেছেন বিধায়ক।
কার্যত নিজের দুশ্চিন্তার কথা বোঝাতেই পোস্ট করেছেন বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারি। আর তারপরই তাঁর কমেন্ট বক্সে কার্যত মন্তব্যের বান ডেকেছে। একজন লিখেছেন, কেন কুমীরের কান্না করছেন! অপর একজন লিখেছেন, এতো চাকরি চুরি করে তৃণমূল এর নেতারা পকেট ভরল।༺ সেটা নিয়ে চিন্তা তো হবেই। সামনে কঠিন দিন আসছে। নেতাদের চাকরি প্রার্থীরা রাস্তায় টেনে নামালো বলে।
অপর একজন লিখেছেন, ভাবুন আপনার দল ও আপনার নেত্রী🌸 কী করেছে। এই সব কিছুর জন্য দায়ী তিনিই।
অপর একজন লিখেছেন এত কষ্ট হলে রিজাইন দিন।
অপর একজন লিখেছেন, শিউর👍ে না উঠে আনন্দ করুন। তিন মাসের মধ্য়ে যোগ্যদের নিয়োগ হবে। এদের মধ♐্যে যারা শাসকদলের ঝান্ডা ধরে শুধুমাত্র তারাই যোগ্য। যাইহোক আবার টাকার খেলা হবে। কারণ যারা চুরি করে তারা শাস্তি পায় না। এই বেলা ঘোলা জলে মাছ ধরবে ব্যবসাদাররা।
অপর একজন লিখেছেন, লজ্জা তো আপনার লাগা দরকার যে দলটায় পড়ে আছেন। একের পর এক মন্তব্য করছেন নেটিজেনর꧅া।
একেবারে চরম ক্ষুব্ধ অনেকেই এই পোস্টের পরে। লেখক হিসাবে যে সম্মান পান তিনি বিভিন্ন জায়গায় এই পোস্টের পরে💎 যে মন্তব্য, তাতে যেন সব ধুয়ে মুছে গেল। এমনটাই বলছেন অনেকে।
২৬ হাজার চাকরি বাতিল। যোগ্য অযোগ্যদের কেন আলাদা করতে পারল না এসএসসি তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বহু সং𝄹সারে নেমে এসেছে অন্ধকার। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ꦇধে ক্ষোভে ফুঁসছেন অনেকেই।
এসবের মধ্যে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেছেন, ‘যাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন তাঁরা একটা ডিপ্রাইভജড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন তৈরি করেছেন জাস্টিস পাওয়ার জন্য। শিক্ষামন্ত্রীকে তাঁরা অনুরোধ করেছেন। সকলে মিলে একটা সভা করতে চান। আমি যদি সেখানে ♍থাকি, মুখ্যসচিব, আইনজীবীরাও থাকবেন। আমি তাঁদের কথায় সাড়া দিয়ে আগামী ৭ তারিখ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে যাব। শুনতে কোনও আপত্তি নেই।’
বিরোধীরা বলছেন, এর দায় নꦅিতে হবে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী। তিনি এখন আড়াল করার চেষ্টা করছেন।