বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের নৈশভোজে পাশাপাশি বসে থাকতে দেখা𒅌 গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। এদিকে বাংলাদেশি মিডিয়াতে দাবি করা হচ্ছে, ৪ এপ্রিল ব্যাঙ্ককে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও নাকি বসবেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের বরাত দিয়ে প্রথম আলো এবং অন্যান্য আরও সংবাদমাধ্যম তাদের রিপোর্টে দাবি করেছে, একান্ত বৈঠকে মুখোমুখি হবেন মোদী এবং ইউনুস।
এদিকে আজকে নৈশভোজ চলাকালীন মোদী এবং ইউনুস কুশল বিনিময় করেন বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। মোদীর পাশে ইউনুসের বসে থাকার একটি ছবিও পোস্ট করা হয় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে। সেখানে দেখা যায়, দুই নেতাই গম্ভীর মুখে বসে আছেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকেই মোদীর সঙ্গে ইউনুসের একান্ত বৈঠকের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই বিষয়টি নিয়ে অবশ্য প্রাথমিক ভাবে ভারত সরকারের তরফ থেকে নিশ্চিত ভাবে কোনও জবাব দেওয়া হয়নি ঢাকাকে। বৈঠক নিয়ে একপ্রকার ঝুলিয়েই রাখা হয়েছিল বাংলাদেশকে। এরই মাঝে ইউনুসের 'সুর' বদলেছিল অনেক ক্ষেত্রে। এম𒉰নকী ঢাকার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল, চিন সফরে যাওয়ার আগে ইউনুস ভারত সফরে আসতে চেয়েছিলেন। তবে সেই বিষয়ে দিল্লির তরফ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি। এরই মাঝে সম্প্রতি চিন সফরে গিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন ইউনুস। যদিও পরে ঢাকার তরফ💮 থেকে দাবি করা হয়েছিল, ইউনুসের বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রিপোর্ট অনুযায়ী, চিন সফরে উত্তরপূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ইউনুস। তিনি নাকি বলেছিলেন, 'উত্তর-পূর্বে ভারতের সাতটি রাজ্য স্থলবেষ্টিত অঞ্চল। তাদের সমুদ্রে পৌঁছনোর কোনও উপায় নেই। এই অঞ্চলে আমরাই সমুদ্রের দেখভাল করি। এটি একটি বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। এটি চিনা অর্থনীতির একটি সম্প্রসা✃রণ হতে পারে।'
এর আগে অবশ্য এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান উপেষ্টা মহম্মদ ইউনুসকে দু'টি চিঠি লিখেছিলেন মোদী। একটি তিনি লিখেছিলেন ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীন দিবস উপলক্ষে। দ্বিতীয় চিঠিটি মোদী লিখেছিলেন ৩১ মার্চ, ইদ উপলক্ষে। কয়েকদিন আগে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক🥂্ষাৎকারে ইউনুস বলেছিলেন, 'ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থেকে উপায় নেই'। এদিকে দাবি করেছিলেন, সরকারে আসার পরই নাকি মোদ🧔ীর সঙ্গে 'কথা' হয়েছিল তাঁর। অনেক বিশ্লেষকেরই মত, থাইল্যান্ডে আসন্ন বিমসটেক সম্মেলনে মোদীর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করার জন্যেই 'সুর' নরম করেছেন ইউনুস। তবে এই ইনুসই আবার চিন সফর থেকে ফিরে এসে 'সেভেন সিস্টার্স' নিয়ে প্রত্যক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালে নিউইয়র্কেও মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করে বিফল হয়েছিলেন ইউনুস। এবার ব্যাঙ্ককে সেই সাক্ষাৎ সম্ভব হবে বলেই দাবি বাংলাদেশ সরকারের।