ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসের পক্ষে দলের সমর্থনের জেরে বিহারের শাসকদলে চিড়। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দল ছাড়লেন জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর দুই বর্ষীয়ান নেতা। জানা গিয়েছে, দলত্যাগ করা নেতাদের মধ্যে আছেন মহম্মদ কাসিম আনসারি এবং দলের সংখ্যালঘু সেলের প্রধান মহম্মদ আশরাফ আনসারি। উল্লেখ্য, লোকসভার পাশাপাশি রাজ্যসভাতেও পাশ হয়ে গিয়েছে ওয়াকফ সংশোধনী বিল। মুসলিম সংগঠনগুলির পাশাপাশি বিরোধী দলগুলি শুরু থেকেই এই বিলের বিরোধিতা করে আসছিল। এরই মাঝে জেডিইউ এবং টিডিপির অবস্থান নিয়ে জল্পনা ছিল। তবে লোকসভায় বিলটি পাশ হওয়ার আগে হুইপ জারি করে জেডিইউ এবং টিডিপি উভয় দলই জানিয়ে দেয়, তারা এই ওয়াকফ সংশোধনী বিলের সমর্থন করবে। (আরও পড়ুন: লোকসভার পর🧸 রাজ্যসভাতেও পাশ ওয়াকফ সংশোধনী বি🌄ল, ভোররাতের ভোটভুটির ফলাফল কী?)
আরও পড়ুন: ইউনুসের উস্কানির আবহে উঠেছে বাংলাদেশ ভাগের দাবি, এরই মাঝে 'কা💦জ' ﷽শুরু ডোভালের?
এই আবহে পূর্ব চম্পারণ জেলায় জেডিইউয়ের মেডিক্যাল সেলের মুখপাত্র কাসিম আনসারি মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। চিঠিতে কাসিম আনসারি ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪ সম্পর্কে জেডিইউয়ের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। তাঁর কথায়, লক্ষ লক্ষ মুসলিম এবং দলীয়কর্মীর জন্যে দলের এই অবস্থান জোর ধাক্কা। তিনি আরও বলেছেন, লোকসভায় লালন সিং যে সুর ও স্টাইলে ওয়াকফ সংশোধনী বিলকে সমর্থন করেছেন, তাতে তিনি গভীরভাবে আহত হয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, পসমন্দা মুসলিমদের বিরোধী এই বিল। আনসারির অভিযোগ, দলের এই বিষয়ে কোনও ধারণা নেই। (আরও পড়ুন: গম্ভীর মুখে পাশাপাশি🙈 মোদী-ইউনুস, ব্যাঙ্ককে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে এল বড় আপডেট)
এদিকে আশরাফ নিজের চিঠিতে লিখেছেন, লাখ লাখ মুসলিম এর আগে মনে করতেন যে জেডি𝓡ইউ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ দল।তবে সেই ধারণা ভেঙে গিয়েছে। তাঁর কথায়, 'আমার মতো লাখ লাখ জেডিইউ কর্মী আহত হয়েছেন।' অপরদিকে জেডিইউ-র এমএলসি গুলাম ঘাউস ইতিমধ্যে ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। ইদের দিন লালুপ্রসাদ যাদবের সঙ্গেও দেখা করতে🍒 গিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে জেডিইউ জাতীয় সাধারণ সম্পাদক গুলাম রসুল বালিয়াভিও ওয়াকফ বিল নিয়ে এনডিএ সরকারের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন।
এদিকে দ🅘লের অন্দরে এই বিদ্রোহ চলার মাঝেই গতরাতে রাজ্যসভায় জেডিই🌳উ সাংসদ সঞ্জয় কুমার ঝা বলেন, বিহারের মুসলিম জনসংখ্যার ৭৩ শতাংশ পসমন্দা মুসলিম। তারা প্রথমবারের মতো ওয়াকফ বোর্ডে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। তিনি বলেন, এই বিল নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে গুজব ছড়ানো হচ্ছিল, কিন্তু রাজ্যসভায় আলোচনার পর পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে যাবে। সঞ্জয় ঝা-এর মতে, এই আইনের বাস্তবায়িত হলে তা সত্যিকার অর্থে দরিদ্র মুসলমানদের জন্য কাজ করবে।