সোনা পাচার মামলায় ফের খারিজ হয়ে গেল অভিনেত্রী রান্যা রাওয়ের জামিনের আবেদন। আজ বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুর ৬৪ তম সিসিএইচ সেশন কোর্ট অভিনেত্রীর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে আপাতত জেলেই থাকতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। এর আগে গত ১৪ মার্চ অর্থনৈতিক অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দ𓆉িয়েছিল। একইসঙ্গে, পাচার করা সোনা বিক্রিতে অভিনেত্রীকে সাহায্য করার জন্য ধৃত ব্যবসায়ী সাহিল জৈনকে ডিআরআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আরও পড়ুন: 'শরীরে𝓡র যেখানেই ফুটো...', সোনা পাচার কাণ্ডে অভিনেত্রীকে নিয়ে বেꦦলাগাম BJP বিধায়ক
কর্ণাটকের ডিজিপি কে রামচন্দ্র রাওয়ের মেয়ে রান্যাকে গত ৩ মার্চ কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার করা হয়। দুবাই থেকে আসার পর ডিআরআই তাঁর কাছ থেকে ১৪.২ কেজি সোনা বাজেয়াꦫপ্ত করে। অভিনেত্রীকে গ্রেফতারের পর আধিকারিকরা তাঁর বাসভবনে তল্লাশি চালান। সেখান থেকে ২.০৬ কোটি টাকার সোনার গয়না এবং ২.৬৭ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়। ফলে এই চোরাচালানে বৃহত্তর চক্র জড়িত থাকার সন্দেহ করছেন আধিকারিকরা। জানা যায়, অভিনেত্রী মাত্র ১৫ দিনে চারবার দুবাই ভ্রমণ করেছিলেন। তাতেই সন্দেহ তৈরি হয়।🍸 আধিকারিকরা সতর্ক হয়ে যান। এরপর বিমানবন্দরে ডিআরআই-এর একটি দল তাঁকে আটক করে। জানা যায়, দুবাই বিমানবন্দরে ক্রেপ ব্যান্ডেজ এবং কাঁচি কিনেছিলেন অভিনেত্রী। সোনার বার শরীরে বাঁধার জন্য তিনি এই ব্যান্ডেজ ব্যবহার করেছিলেন বলে দাবি তদন্তকারীদের।
অন্যদিকে, বল্লারির সো🦹না ব্যবসায়ী সাহিল জৈন পাচার করা সোনা বিক্রি এবং অর্থ ভাগাভাগি করতে রান্যাকে সাহায্য করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ডিআরআই হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়🍃।
তদন্তকারীদের অনুমান, তাঁর বাবা যেহেতু রাজ্য পুলিশের ডিজি। সেই প্রভাবকে কাজে লাগিয়েই রান্যা নির্বাধায় সোনা পাচ🉐ারের জাল বিস্তার করেছিলেন। এর আগে অভিনেত্রীর বাবা তথা ডিজি রামচন্দ্র রাওকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। ঘটনায় আরও তদন্ত করছেন আধিকারিকরা।