দু'বছরের ব্যবধানে চেন্নাইয়ের স্মৃতি ফিরল গুয়াহাটিতে। পরিস্থিতি হুবহু এক। সিএসকের বিরুদ্ধে ঠিক একইভাবে রাজস্থান রয়্যালসের অনুকূলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিলেন সন্দীপ শর্মা। তফ🌃াৎ একটা রয়েছেই। ২০২৩ সালে চিপকে ধোনি-জাদেজা জুটি শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালান। এবার ওভারের শুরুতেই ধোনির কাঁটা উপড়ে দলের জয় কার্যত নিশ্চিত করে🀅 ফেলেন সন্দীপ।
রবিবার গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে রাজস্থানের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য শেষ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের দরকার ছিল ২০ রান। ক্রিজে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি 🔜ও রবীন্দ্র জাদেজা। আইপিএলে এমন পরিস্থিতি থেকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন ধোনি। সুতরাং, রাজস্থানের পক্ষে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকা সম্ভব ছিল না।
৩ ওভারে ১টি মেডেন-সহ মাত♚্র ১৩ রানের বিনিময়ে ১টি উইকেট নেওয়া জোফ্রা আর্চারের ১ ওভার বাকি ছিল তখনও। তবে রাজস্থান দলনায়ক রিয়ান পরাগ আস্থা রাখেন ৩ ওভারে ২৯ রান খরচ করেও কোনও উইকেট তুলতে না পারা সন্দীপ শর্মার উপরে। সন্দীপ যদিও ক্যাপ্টেনের আস্থার যথাযথ মর্যাদা রাখেন।
শেষ ওভারের শুরুতেই একটি ওয়াইড বল করেন সন্দীপ। তার পরেই লো-ফুলটস দেন ধোনিকে। স্বাভাবিকভাবেই বড় শটের প্রলোভন সামলাতে পারেননি ধোনি। তিনি তুলে মারেন লেগ সাইডে। ত♏বে কার্যত মাঠের সমান্তরালে উড়ে যাওয়া বল বাউন্ডারির বাইরে যায়নি। ডিপ মিড-উইকেটে দৌড়ে এসে শরীর ফেলে ক্যাচ ধরে নেন শিমরন হেতমায়ের। ওভারের প্রথম বলে ধোনি আউট হতেই স্পষ্ট হয়ে যায় দেওয়াল লিখন।
দলের জয় যে কার্যত নিশ্চিত করে ফেলেছেন, সেটা বুঝেও উচ্ছ্বাসে মাতেননি বোলার সন্দীপ শর্মা। কেরিয়ারের সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে থাকা ধোনির প্রতি অগাধ সম্ভ্রমের জন্যই সন্দীপ সেলিব্রেট করেননি মাহিকে আউট করে। ওভারের চতুর্থ বলে জেমি ওভার্টন ১টি ছক্কা মারলেও চেন্নাই শেষ ওভারে সংগ্রহ করে ১৩ রান। রাজস্থানের ৯ উইকেটে ১৮২ রানের জবাবে চেন্নাই আটকে যায় ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে। সুতরাং, ৬ রানে ম্যাচ হারে সুপাꦏর কিংস।
২০২৩-এও ঠিক একইভাবে রাজস্থানকে ম্যাচ জেতান সন্দীপ
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে চিপকে চেন্নাইয়ের বিরুদ্🅰ধে ঠিক একই পরিস্থিতি থেকে রাজস্থান রয়্যালসকে ম্যাচ জেতান সন্দীপ শর্মা। সেবার শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২১ রান দরকার ছিল সিএসকের। ব্যাট করছিলেন ধোনি ও জাদে🧔জা। সন্দীপ শেষ ওভারে ২টি ছক্কা হজম করেও ১৭ রানের বেশি খরচ করেননি। ফলে সেবার চেন্নাইকে হারতে হয় ৩ রানে।