প্রতিশোধমূলক শুল্কের বিষয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সুর নরম করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছিলেন যে ২ এপ্রিল থেকে ভারতের মতো দেশগুলির উপর প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে তাঁর সর্বশেষ বিবৃতি থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তিনি এই নীতিটি পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে অনেক দেশকে প্রতিশোধমূলক শুল্ক থেকে ছাড় দেওয়া যেতে পারে। এই ঘোষণার পর ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য দাবিদাওয়া সম্পর্কে আলোচনায় বসতে চলেছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ নয়াদিল্লিতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে চলেছে। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের নেতৃত্বে আজ দিল্লিতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। (আরও পড়ুন: কক্সবাজারে মিলল একটা, দুটো নয়… আরাকান আর্মির ৬০ সেট ইউনি൩ফর্ম,বাংলাদেশে কী হচ্ছে?)
আরও পড়ুন: ভারতের 'রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফ্ট' হ্যাক করেছে চিন? ম𓆉ুখ খুলল সেনা
সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, অটোমোবাইল, হুইস্কি এবং কিছু কৃষি পণ্য, বিশেষত জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (জিএম) খাদ্য পণ্যগুলির জন্য ভারতের কাছ থেকে বৃহত্তর বাজারে প্রবেশাধিকার চাইতে পারে আমেরিকা। তবে হোয়াইট হাউজের বাণিজ্য নীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গিয়েছে। আগামী ২ এপ্রিলের আগেই গাড়ির ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিౠন্তু ছাড় দেওয়𒐪ার ইঙ্গিতে ভারতসহ বিশ্ববাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
আরও পড়ুন: বিতর্কের আ♛বহে অভ্যুত্থান নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশি সেনা প্রধান খোদ, বললেন...
মঙ্গলবার ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। সেই বৈঠক এবার বুধবার করা হবে। বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রাপ্ত পরামর্শের ভিত্তিতে আলোচনার জন্য একটি 'টার্মস অফ রেফারেন্স' প্রস্তুত করেছে মন্ত্রক। এই 'টার্মস অফ রেফারেন্স' বাণিজ্য আলোচনার সুযোগ এবং উদ্দেশ্যগুলি স্পষ্ট করে। এক উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকের মতে, 'বুধবার দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে💙 দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তির প্রথম পর্যায়ের বিষয় নিয়ে। বাজারে প্রবেশাধিকার এবং ডিজিটাল বাণিজ্য এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হবে। শ্রম, পরিবেশ এবং সরকারি ক্রয়ের মতো বিষয়গুলি দ্বিতীয় পর্যায়ে উত্থাপন করা হবে। ভারত বিশেষ করে আলোচনায় প্রতিশোধমূলক শুল্ক ছাড় এবং অন্যান্য বাধা অপসারণের উপর জোর দেবে। পাশাপাশি, পরিষেবা ক্ষেত্রে ছাড় চাওয়া হবে। যেমন ভারতীয় পেশাদারদের আমেরিকায় আরও ভিসা চাওয়া বড় ইস্যু নিয়েও আলোচনা হবে বৈঠকে।