পলাতক ব্যবসায়ী মেহুল চোকসি বর্তমানে বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্পে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে। তিনি সেখানকার রেসিডেন্সি কার্ড পেয়েছেন। নিজের স্ত্রী প্রীতি চোকসিকে নিয়ে তিনি আপাতত ইউরোপের এই দেশে আছেন। এদিকে ক্যারিবিয়ান-কেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড টাইমস অনুসারে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বেলজিয়ামকে মেহুলের প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়েছে। তবে সরকারি ভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এখনও এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। (আরও পড়ুন: 🉐'হাস্যকর, অবিশ্বাস্য…', নগদ উদ্ধারকাণ্ডে মুখ খুললেন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি)
আরও পড়ুন: ♓মোদী-ইউনুস বৈঠক নিয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ নিয়ে কী ভাবছে ভারত, জানালেন জয়শংকর
আরও পড়ুন: 🧜আঙুল ইউনুসের দিকে,বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর হামলায় কেন্দ্রের পদক্ষেপের আর্জি RSS-র
সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ঋণ জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে পলাতক চোকসি বেলজিয়াম যাওয়ার আগে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় থাকতেন। এদিকে তাঁর স্ত্রী প্রীতি বেলজিয়ামের নাগরিক। সেই সুবাদে সম্প্রতি মেহুল চোকসি 'এফ রেসিডেন্সি কার্ড' পান বেলজিয়ামের। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে প্রত্যর্পণ এড়িয়ে বেলজিয়ামে বসবাসের অনুমতি পেতে বিভ্রান্তিকর নথি ব্যবহার করেছিলেন মেহুল চোকসি। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সূত্রের দাবি, মেহুল চোকসি বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষের কাছে "মিথ্যা ঘোষণা" এবং "জাল নথি" জমা দিয়েছিলেন এই পলাতক ব্যবসায়ী। তিনি নাকি তাঁর আগের ভারতীয় এবং অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব গোপন করেছিলেন। এদিকে জানা গিয়েছে, ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন মেহুল চোকসি। (আরও পড়ুন: ♔কাঁটার সিংহাসনে ইউনুস! নাহিদের দলের নেতা বললেন, ‘যুদ্ধ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে…’)
আরও পড়ুন: ♓জাল আধার-প্যান বানিয়ে দিল্লিতে ধৃত পশ্চিমবঙ্গের ৩ সহ ৮ চক্রী,জালে বহু বাংলাদেশি
প্রসঙ্গত, চোকসি ও তাঁর ভাগ্নে নীরব মোদীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রায়ত্ত পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (পিএনবি) থেকে ১৩,৫০০ কোটি টাকা জালিয়াতি করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আদালতে বারবার জামিন নাকচ হওয়ায় লন্ডনের জেলে বন্দি নীরব মোদী। তিনি ভারতে প্রত্যর্পণ ঠেকাতে লড়ছেন ব্রিটিশ আদালতে। (আরও পড়ুন: ༺'ইউনুস বনাম ওয়াকার'-এর মধ্যে বাংলাদেশি সেনাপ্রধানকে সরানো নিয়ে মুখ খুললেন সারজিস)
আরও পড়ুন: ✅'নগ্ন... নোংরা...', বাংলাদেশ সেনাকে নিয়ে বোমা ফাটালেন 'বিপ্লবী' NCP নেতা
🔯 এদিকে এর আগে ২০২১ সালের মে মাসে অ্যান্টিগা থেকে নিখোঁজ হয়ে যান চোকসি, কিন্তু পরে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মুম্বইয়ের একটি বিশেষ আদালত পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের জালিয়াতি মামলায় পলাতক ব্যবসায়ী মেহুল চোকসির বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের তদন্তে বড় নির্দেশ দেয়। ২০১৮ সাল থেকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মেহুলের যে ২,৫৬৫.৯ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল, তা বিক্রি করার অনুমোদন দেয় আদালত। ইডির সহায়তায় পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এবং আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই রায় দিয়েছিল। ফলস্বরূপ, মুম্বইয়ের ফ্ল্যাট এবং আন্ধেরির এসইপিজেডে গীতাঞ্জলি জেমস লিমিটেডের দুটি কারখানা সহ ১২৫ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয় লিকুইডেটরের কাছে।