দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন𒁃্দ্র মোদী তাঁকে একেবারে ‘তৃণমূল স্তর থেকে উঠে আসা’ নেত্রী হিসাবে বর্ণনা করেছেন এবং আত্🅘মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে তিনি ‘পূর্ণ উদ্যমে’ জাতীয় রাজধানীর উন্নয়নে কাজ করবেন।
কী লিখলেন মোদী?
'দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার জন্য শ্রীমতী
রেখা গুপ্তাজিকে অভিনন্দন। তিনি তৃণমূল স্তর থেকে উঠে এসেছেন, ক্যাম্পাস রাজনীতি, রাজ্য সংগঠন, পুর প্রশাসন এবং বর্তমানে বিধায়ক এবং মুখ্যমন্ত্রীতেও সক্রিয় ছিলেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তিনি পূর্ণ উদ্যমে দিল্লির উন্নয়নে কাজ করবেন। দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে বৃহস্পতিবারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী
মোদী এক্স-এ পোস্ট করেছেন।
রামলীলা ময়দানের অনুষ্ঠানে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া বিজেপি বিধায়ক পরবেশ ভার্মা, আশিস সুদ, মনজিন্দর সিং সিরসা, রবীন্দ্র ইন্দ্রজ সিং এবং পꦉঙ্কজ কুমার সিংকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
‘এই♏ দলটি সুন্দরভাবে শক্তি এবং অভিজ্ঞতার মিশ্রণ করে এবং অবশ্যই দিল্লির জন্য সুশাসন নিশ্চিত করবে। তাঁদের জন্য শুভকামনা,’ লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
শালিমার বাগ বিধানসভা আসনে প্রথমবারের মতো জয়ী বিধায়ক রেখা গুপ্তা দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী এবং আম আদমি পার্টির (এএপি) 🐲বিদায়ী মহিলা মুখ্যমন্ত্রী অতিশির স্থলাভিষিক্ত হলেন।
বিজেপির সুষমা স্বরাজ এবং কংগ্রেসের শীলা দীক্ষি🌟তও জাতীয় রাজধানীর মুখ্যমন্ত্রী 💫হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে, বিজেপি ৭০ সদস্যের বি꧒ধানসভায় ৪৮ টি আসন জিতেছিল,🍸 এবং আপ ২২ টি আসন জিতেছিল, যা ২০১৫ এবং ২০২০ সালে যথাক্রমে ৬৭ এবং ৬২ ছিল।
গেরুয়া দল ১৯৯৮ সালের পর প্রথমব🐓ারের মতো এখান🍃ে সরকার গঠন করেছে।
১৯৯৮ থেকে ২꧃০১৩ সাল পর্যন্ত দিল্লিতে ক্ষমতায় থ🎶াকা কংগ্রেস দিল্লিতে টানা তৃতীয়বারের মতো বিধানসভা নির্বাচনে শূন্য পেয়েছে।
রেখা গুপ্তার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের (ডিইউএসইউ) প্রাক্তন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রেখা গুপ্তা দিল্লিতে বিজেপি মহিলা মোর্চার সাধার🎐ণ সম্পাদক এবং দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ১৯৯২ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দৌলত রাম কলেজে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপ🌞ি) দিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছিলেন। ১৯৯৬-৯৭ সালে, তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের (ডিইউএসইউ) সভাপতি হন, 𝔍যেখানে তিনি সক্রিয়ভাবে ছাত্র-সম্পর্কিত বিষয়গুলি উত্থাপন করেছিলেন।