গোটা রাজ্যে মাদক-বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে পঞ্জাবের আপ সরকার। সেই অভিযানের অংশ হিসেবে এবার গ্রেফতার হলেন পঞ্জাব পুলিশের এক সিনিয়র লেডি কনস্টেবল। তাঁর নাম আমনদীপ কর। তাঁর কাছ থেকে ১৭.৭১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে মাদকবিরোধী টাস্ক ফোর্স। গ্রেফতারে♑র পর শুক্রবার কনস্টেবলকে বরখাস্ত করেছে পঞ্জাব পুলিশ। এছাড়াও প্রশ্ন উঠেছে কনস্টেবলের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা নিয়ে।
আরও পড়ুন: দোকান 🦩খোলার মুহূর্তে ওষুধ ব্যবসায়ীর বুকে গুলি! মাদক-প্রতিবাদের জের? পুলিশ বলছে..
জানা গিয়েছে, লেডি কনস্টেবলের একটি এসইউভি গাড়ি এবং একটি মাহিন্দ্র𝓰া থর গাড়ি রয়েছে। সেই গাড়ি দুটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের ডেপুটি সুপার হরবংশ সিং। তিনি জানান, একটি যৌথ অভিযানে ভাটিন্ডার বাদꦜল ফ্লাইওভারের নীচে লেডি কনস্টেবলের গাড়ি আটকানো হয়। সেই গাড়ি থেকে হেরোইন উদ্ধার হয়েছে। পরে চালককে জিজ্ঞাসা করে জানা যায় গাড়িটি হল আমনদীপের।
জানা গিয়েছে, আমনদীপ ভাটিন্ডা পুলিশ লাইনে কর্তব্যরত ছিলেন। এসবের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামে একটি অ♒্যাকাউন্ট রয়েছে লেডি কনস্টেবলের। ‘police_kaurdeep’ নামে এই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৩৭ হাজারের বেশি ফলোয়ার্স রয়েছে। সেখানে অধিকাংশ ভিডিয়োতেই তাঁকে পুলিশের পোশাক পরে রিলস বানাতে দেখা গিয়েছে। এর পাশাপাশি অভিনব ঘড়ি এবং আইফোন ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এই বিষয়টি সামনে আসার পরেই রাজ্য পুলিশের ডিজি নির্দেশ জারি করেছেন যে পুলিশ অফিসাররা উর্দি পরে রিলসꦡ বানাতে পারবেন না।
এই ঘটনায় লেডি কনস্টেবলের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, আমনদীপের ২ কোটি টাকার একটি বাড়ি রয়েছ🧸ে। এছাড়াও দুটি গাড়ি এবং এক লক্ষ টাকার একটি ঘড়ি রয়েছে। ফেসবুকে একটি ভিডিয়োয় গুরমিত কৌর নামে এক মহিলা দাবি করেছেন যে আমনদীপ কৌর বলবিন্দর সিং নামে একজনের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। তিনি একজন অ্যাম্বুলেন্স চালক।
গুরমিত কৌরের অভিযোগ, আমনদীপ এবং তাঁর লিভ-ইন পার্টনার হেরোইন বিক্রির জন্য অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতেন। তিনি আরও বলেন, তিনি এ বিষয়ে পু♒লিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু, কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আপাতত পুলিশ তদন্ত করছে যে আমনদীপ কৌর কোথা থেকে মাদকগুলি পেয়েছিলেন এবং তিনি কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন?