বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট ২০🙈১৬ সালের এসএসসির পুরো প্যানেল বাতিল করতেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সুরেই এবার ২৬ হাজার জনের চাকরি বাতিলের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগের দাবি জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।
আরও পড়ুন: চাকরি বাতিলꦓ, সুপ্রিম রায়ের পরেই শিক্ষা দফতরকে নিয়ে বৈঠকে ব♏সছেন মমতা
প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চﷺ এদিন রায়ে জানিয়েছে, যোগ্য ও যোগ্যদের বাছাই করা সম্ভব নয়। সেই রায় সামনে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘নিয়োগ দুর্নীতির নไৈতিক দায় কাঁধে নিয়ে অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত।’
তিনি বলেন, ‘রাজ্যের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা যে দুর্নীতির কবলে চলে গিয়েছিল আগে তা বাংলার মানুষ দেখেছিল। তারপরেও সেই বিষয়টি 𝕴থেকে শিক্ষা না নিয়ে হাজার হাজার ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যৎ কীভাবে সুরক্ষিত করা যায় সে বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করেনি রাজ্য সরকার। আজকে এতগুলি ছেলে মেয়ের জীবনে যে অন্ধকার নেমে এল আমরা জানতে চাই তার দায়িত্ব কে নেবে? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে প্রমাণিত হল যে বাংলার ভবিষ্যৎ আপনি নষ্ট করে দিয়েছেন। তাই দুর্নীতির সমস্ত দায়ভার কাঁধে নিয়ে আপনার অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। নতুন ভাবে এই ছেলেমেয়েদের ভাগ্য কোন দিকে যাবে তা নির্ধারণ করবে বাংলার মানুষ।’
প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচও এদিনের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে রা𝄹জ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায় যে বহাল রাখবে তা প্রত্যাশিত ছিল। এই রায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের চরম দুর্নীতি এবং অব্যবস্থার উপরে কষিয়ে থাপ্পড়। এ রাজ্যের হাজার হাজার ছেলে মেয়ে জমি, জায়গা, সম্পত্তি বিক্রি করে তৃণমূলের নেতাদের টাকা দিয়েছে। তাঁদেরও চাকরি গিয়েছে, যারা যোগ্য তাঁরাও চাকরি হারিয়েছেন।’ তাঁর অভিযোগ, এই টাকা পয়সার ভাগ ওপর তলা পর্যন্ত গিয়েছে। মূল মাথা এখনও অধরা। তিনি বলেন, ‘ রাজ্য সরকারের চরম অব্যবস্থার জন্য অসংখ্য ছেলেমেয়েরা কার্যত দুর্নীতির জাঁতাকলে পিষে শেষ হলেন। রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই দায় নিতে হবে।’