না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন মনোজ কুমার। ৪ মার্চ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছꦿর। তাঁর প্রয়াণের পর এদিন শোকপ্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। শোকজ্ঞাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও।
কী লিখলেন রাজনাথ সিং?
এদিন এক্স হ্যান্ডেল অর্থাৎ যা আগে টুইটার নামে পরিচিত ছিল সেখানে রাজনাথ সিং লেখেন, ' শ্রী মনোজ কুমার একজন অত্যন্ত গুণী অভিনেতা ছিলেন, যিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন দেশাত্মবোধক ছবিতে কাজ করার জন্য। তাঁকে ভারত কুমার বলেও ডাকা হতো। উপকার, পূরব ও পশ্চিম সহ একাধিক ছবিতে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি আমাদের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন, মানুষকে বাধ্য করেছেন তাঁর কাজের জন্য তাঁকে মনে রাখতে। উনি ওঁর ক🔥াজের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন। ওঁর পরিবার এবং অনুরাগীদের সমবেদনা জানাই। ওম শান্তি।'
কী লিখলেন দ্রৌপদী মুর্মু?
এদিন দ্রৌপদী মুর্মুও এক্স হ্যান্ডেলে শোকজ্ঞাপন করেন মনোজ কুমারের প্রয়াণে। তিনি লেখেন, 'অত্যন্ত দুঃখিত কিংবদন্তি অভিনেতা এবং চিত্রপরিচালক মনোজ কুমারের প্রয়াণের খবরে। ভারতীয় সিনেমায় তিনি অবর্ণনীয় ছাপ রেখে গিয়েছেন। ওঁর লম্বা এবং উজ্জ্বল কেরিয়ার জীবনে তিনি বিশেষ পরিচিতি🐷 পেয়েছিলেন দেশাত্মবোধক ছবির জন্য।' তিনিও তাঁর পোস্টের মাধ্যমে অভিনেতার পরিবারের উদ্দেশ্যে সমবেদনা জানিয়েছেন।
কী হয়েছিল মনোজ কুমারের?
বর্ষীয়ান অভিনেতা মনোজ কুমার বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই মুম্ব꧋ইয়ের কোকিলাবেন ধিরুভাই আম্বানি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই তাঁর মৃত্যুꦉ হয়। তিনি হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। এছাড়াও লিভার সিরোসিস ছিল মনোজ কুমারের। এই দুইয়ের কারণেই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে বলেই হাসপাতালের তরফে যে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে সেখানেই জানানো হয়েছে।
১৯৫৭ সালে মাত্র ไ২০ বছর বয়সে তিনি ফ্যাশন ছবির হাত ধরে বলিউডে পা রাখেন। এরপর ১৯৬১ সালের ছবি কাচ কি গুড়িয়া ছবির হাত ধরে জনপ্রিয়তা পান। সেটাই ছিল তাঁর প্রথম বড় ব্রেক। এরপর আ꧂র তাঁকে পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। রোটি কাপড়া অর মাকান, ও কৌন থি সহ একাধিক হিট উপহার দিয়েছেন তিনি।