🍌 দু'দিন আগেই মেয়ে দিশা সালিয়ানের মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন তাঁর বাবা সতীশ সালিয়ান। তাঁর মেয়ে দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর সঙ্গে অভিনেতা অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি। যদিও এই দুই মৃত্যু ঘিরে বহু বিতর্ক রয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই সুশান্ত মৃত্যু মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট জমা দিয়েছে CBI। আর এবার দিশা সালিয়ানের মৃত্যু মামলা নিয়েও ক্লোজার রিপোর্ট দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা।
🃏গত ১৭ই মার্চ, ৫ বছরের নীরবতার পর, সতীশ সালিয়ান বিস্ফোরক দাবি করেন। আদিত্য ঠাকরে, সুরজ পাঞ্চোলি এবং দিনো মোরিয়ার উপর নারকো টেস্টের দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘আমি আমার মেয়ের জন্য ন্যায়বিচার চাই। আমি আমার আইনজীবীর জন্যও সুরক্ষা চাইছি। আমি নারকো টেস্টের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু আদিত্য ঠাকরে, সুরজ পাঞ্চোলি এবং দিনো মোরিয়ারও নারকো টেস্ট হওয়া উচিত। সকল অভিযুক্তের টেস্ট করা উচিত’, সংবাদ সংস্থা ANI-এর সামনে এমনই দাবি তুলেছিলেন সতীশ সালিয়ান।
🦂তবে তাঁক এই দাবির এক সপ্তাহের মধ্যেই, সিবিআইয়ের তরফে জানানো হল দিশার মামলা শেষ হয়ে গেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দিশা আত্মহত্যা করেছিলেন, মালাড-এর ১৪ বিল্ডিং থেকে পরে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। সুশান্তের মৃত্যুর ৬ দিন আগে এটা ঘটে।
🍸আরও পড়ুন-প্রভাসের বিয়ের গুঞ্জন, শুভ দিনটা কবে? জানতে চান অনুরাগীরা, এল বড় আপডেট
জানা যায়, দিশা মৃত্যুর আগে কর্ণারস্টোন কোম্পানিতে সেলিব্রিটি ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। মিড-ডে🦂-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি যে দুটি প্রজেক্ট দেখাশোনা করছিলেন, সেগুলি বন্ধ হয়ে যায়। যেকারণে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এখানেই শেষ নয়। প্রতিবেদন জানা যায় বাবা সতীশ তাঁর মশলা উৎপাদন ইউনিটের একজন মহিলা সহকর্মীর সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দিশা ব্যবসার জন্য যে টাকা তাঁর বাবাকে ধার দিয়েছিলেন, সতীশ সেই টাকা নিজের সেই প্রেমে খরচ করেন। আর এই বিষয়টিই নাকি দিশাকে গভীরভাবে বিচলিত করে তুলেছিল।
🌱ষড়যন্ত্র তত্ত্বের কথা বাদ দিলে, দিশার আগের ময়নাতদন্তে রিপোর্টে দেখা যায়। মৃত্যুর আগে তার উপর কোনও আক্রমণ হয়নি। তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল মাথায় মারাত্মক আঘাত – যা ১৪ তলা থেকে পড়ে যাওয়ার কারণেই হয়েছিল।
🐼তবে সতীশের আইনজীবী নীলেশ ওঝার এই মামলায় ভিন্ন মতামত আছে। তাঁর কথায়, ‘এটা উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে, সুপ্রিম কোর্টের বাধ্যতামূলক রায় অনুযায়ী, ধারা ১৭৪ সিআরপিসি (দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর রিপোর্ট/এডিআর) এর অধীনে কোনও তদন্তে দাখিল করা ক্লোজার রিপোর্টের কোনও প্রমাণমূলক মূল্য নেই। যেসব ক্ষেত্রে আমলযোগ্য অপরাধ স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে অভিযুক্তরা এর উপর নির্ভর করতে পারে না। অতএব, পূর্ববর্তী ক্লোজার রিপোর্টের কোনও আইনি গুরুত্ব নেই’।
🌺আপনার মনে হয় কি এসএসআর-দিশা সালিয়ান অধ্যায়ের অবশেষে সমাধান হয়েছে?